
ইসরায়েলে আগাম হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিল ইরান
ইরানের হুঁশিয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ইরানের হুঁশিয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ইরান মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন ‘প্রতিরোধ সমীকরণ’ তৈরি করতে চাইছে। সেই অনুযায়ী, লেবাননের যেকোনো জায়গায় ইসরায়েল হামলা চালালে ইরান সরাসরি তার ওপর পাল্টা আঘাত হানবে।

গত ২০ জুন প্রকাশিত এক জরিপে দেখা গেছে, ৯০ শতাংশ ইসরায়েলি নাগরিক মনে করেন ইরানের সঙ্গে সদ্য সমাপ্ত যুদ্ধে ইরানই জয়ী হয়েছে। এর পরের দিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিবিএসের এক জরিপে দেখা যায় ৭৮ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হওয়া উচিত।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবারই ইরানে নতুন হামলার হুমকি দিচ্ছেন। তবে শেষ মুহূর্তে আবার সে অবস্থান থেকে সরে আসছেন। আবার একই কাজ করলেন তিনি।

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিরোধীরা একজোট, নেতৃত্ব পরিবর্তনে ইসরায়েলের বৈশ্বিক ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের আশাবাদী।

বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর জেনারেলরা এখন মনে করছেন, ভবিষ্যৎ আক্রমণ ঠেকাতে পারমাণবিক অস্ত্রই একমাত্র নিশ্চিত উপায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালি খোলার জন্য মঙ্গলবার রাত ৮টা ইস্টার্ন টাইম পর্যন্ত চূড়ান্ত সময় দিয়েছেন। রাশিয়া ও চীন যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকির ভাষা ত্যাগ করে আলোচনায় ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্ববাজারে তেল সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ট্রাম্পের শুরু করা এই যুদ্ধ দিন দিন জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।

ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত ইরানের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংসের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পেরেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা আলোচনার মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করছে পাকিস্তানের সেনা নেতৃত্ব।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির কারণে ট্রাম্প প্রশাসনে রীতিমতো উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা শুরু হয়েছে।