
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য সুইজারল্যান্ডে পৌঁছাল ইরানের প্রতিনিধিদল
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছে ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছে ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চুক্তি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে মেনে নিতে বলেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে ইসরায়েল অনিচ্ছুক হলেও ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত মেনে চলবে। ইসরায়েলি সূত্র সিএনএনকে এ তথ্য দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে সম্মান করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

আগামী শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হওয়ার কথা। এর মধ্যেও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন জনপদে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পরই পাকিস্তানে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান। এটি মধ্যস্থতার স্বীকৃতি ও রাজনৈতিক কৌশল।

ইরান বারবার ইঙ্গিত দিয়েছে, তেহরানের জব্দ থাকা সম্পদের অন্তত একাংশ অবমুক্ত না হলে চুক্তি না–ও হতে পারে।

সমঝোতা স্মারক সই হতে না হতেই আবারও পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান। এতে এই সমঝোতা চুক্তি কতটা নাজুক অবস্থায় রয়েছে, তা প্রকাশ পেয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অবশেষে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিন তেহরান কোনো শুল্ক বা টোল ছাড়াই জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে; যার বিনিময়ে ওয়াশিংটন তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেবে, ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনাও শুরু হতে যাচ্ছে।

ট্রাম্প গত রোববার এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, এই চুক্তি আগামী ১৫ থেকে ২০ বছরের জন্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে।

আজ শনিবার সিঙ্গাপুরে এ কথা বলেছেন হেগসেথ।

ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি না হলে খারাপ সময় আসতে পারে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি এক শান্তিচুক্তির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা মনে হচ্ছে বিশ্বাসের ঘাটতি।