
গোপন চাল: যুক্তরাষ্ট্র–ইরান চুক্তি এখনো যেভাবে ভেস্তে দিতে পারেন নেতানিয়াহু
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাক্ষরিত চুক্তিটি কার্যকর করার সব দায় সরাসরি ওয়াশিংটনের ওপর চাপিয়েছেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাক্ষরিত চুক্তিটি কার্যকর করার সব দায় সরাসরি ওয়াশিংটনের ওপর চাপিয়েছেন।

যুদ্ধের ময়দানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কড়া জবাব দেওয়া ইরান, সেই একই স্পিরিট যেন খেলার মাঠেও ফিরিয়ে এনেছে। অবিশ্বাস্য খেলে রুখে দিয়েছে বেলজিয়ামকে।

অবশেষে নির্ধারিত সময়ের দুই দিন পর গতকাল রোববার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে।

৯২ শতাংশ ইসরায়েলি মনে করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে ইরানই জয়ী হয়েছে।

সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব যে রাজনৈতিক বিজয়ের নিশ্চয়তা দেয় না, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ তা স্পষ্ট করে দিয়েছে। এ যুগে যুদ্ধ হয়ে উঠেছে আরও জটিল।

১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে অস্থায়ী কাঠামোগত সমঝোতা ঘোষণা করা হয়েছে, তা কেবল স্থবির হয়ে থাকা পারমাণবিক আলোচনাকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা নয়।

এর আগে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছে ইরানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

এমন অবস্থায় শান্তি আলোচনার পরিবেশ জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহের আলোচনা শেষে গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে সই করেছে। তবে প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিভিন্ন পক্ষ থেকে চুক্তিটি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। ওয়াশিংটনের কট্টরপন্থী ইরানবিরোধীরা একে একটি একপেশে চুক্তি হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, ইসরায়েলের সব রাজনৈতিক দলই একে একটি ‘বাজে চুক্তি’ হিসেবে গণ্য করছে।

লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছে ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

হরমুজ প্রণালিতে টোল বসানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।