
আল্লাহর দাসত্বের মর্যাদা
আল্লাহর অনুগত হলে সব ধরনের মন্দ কাজ থেকে বাঁচা সহজ হয়। যেমন আল্লাহ-তাআলা ইউসুফ (আ.)-কে মিসরের আজিজের স্ত্রীর অনিষ্ট থেকে হেফাজত করেছিলেন।

আল্লাহর অনুগত হলে সব ধরনের মন্দ কাজ থেকে বাঁচা সহজ হয়। যেমন আল্লাহ-তাআলা ইউসুফ (আ.)-কে মিসরের আজিজের স্ত্রীর অনিষ্ট থেকে হেফাজত করেছিলেন।

‘নামাজ কায়েম’ বলতে কেবল দায়সারাভাবে পড়া নয়, বরং নামাজের নিয়ম-কানুন, সময় ও একাগ্রতা বজায় রেখে যথাযথভাবে আদায় করাকে বোঝানো হয়েছে।

এই আমলটির ভিত্তি বা সংশ্লিষ্ট হাদিসটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আলেমদের মধ্যে কিছু বিতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে হাফেজ ইবনুদ দিহিয়া এই হাদিসটিকে দুর্বল প্রমাণের চেষ্টা করেছিলেন।

যখন একজন বান্দা পূর্ববর্তী নেক আমল করার পর পুনরায় নেক আমল করার তাওফিক পান, সেটি আল্লাহর পক্ষ থেকে আমল কবুলের একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে।

ঈদের দিনে রোজা রাখা নিষিদ্ধ। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে মেহমানদারির দিন। মহানবী (সা.) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিনে রোজা রাখতে বিশেষভাবে নিষেধ করেছেন।

সারা দেশে সব মসজিদে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে আজ পবিত্র জুমাতুল বিদা পালিত হয়।

যে রোজা রাখে, অন্য কারও তা জানার সুযোগ নেই। কেউ যদি সাহ্রি ও ইফতার করে মাঝখানে গোপনে কিছু খেয়ে ফেলে, তবে মানুষ তা বুঝতে পারবে না।

রোজা মানুষকে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে শেখায়। কিন্তু দোয়া কবুলের শর্ত হলো—আল্লাহর নির্দেশ মান্য করা এবং তাঁর ডাকে সাড়া দেওয়া। নিছক মুখের কথা যথেষ্ট নয়।

স্মার্টফোনের স্ক্রিনই চোখের সবচেয়ে বড় পরীক্ষার জায়গা। অপ্রয়োজনীয় ব্রাউজিং আমাদের মূল্যবান সময় যেমন নষ্ট করছে, তেমনি অবচেতন মনে আমাদের দৃষ্টিকে হারামের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

রোজা সেই প্রশিক্ষণের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এর উদ্দেশ্য কেবল ক্ষুধা-তৃষ্ণা সহ্য করা নয়; বরং তাকওয়া অর্জন, আত্মসংযম শেখা এবং আল্লাহকেন্দ্রিক জীবন গঠন করা।

নবীজি তাঁর উম্মতকে রমজানে চারটি আমল বেশি করতে বলেছেন। এর মধ্যে দুটি হচ্ছে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, আর দুটি আমল এমন, যা না করে বান্দার উপায় নেই।

‘রমজান’ শব্দটির আভিধানিক অর্থই হচ্ছে উত্তাপ, তাপের উচ্চমাত্রা বা পুড়িয়ে দেওয়া। রমজানকে তাই বলা যায়, গুনাহগার বান্দাদের গুনাহগুলো পুড়িয়ে নিজেদের শুদ্ধ করার মাস।