
নীলফামারীর ৪টি আসনেই জামায়াতের প্রার্থীরা জয়ী
ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।

ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।

স্বাধীনতার পর এই প্রথম জামালপুরের পাঁচটি আসনেই বিএনপি বিজয় লাভ করেছে।

বিএনপির জয়ী প্রার্থীরা হলেন কামরুজ্জামান কামরুল, নাছির চৌধুরী, কয়ছর আহমদ, নূরুল ইসলাম ও কলিম উদ্দিন আহমেদ।

নেত্রকোনা-১ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৯ জন। ভোট পড়েছে ৫৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। এর মধ্যে চারটিতে ধানের শীষ প্রতীকের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা, অন্যটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী।

গাজীপুর–৩ আসনে জামায়াতের এক নেতার বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার ও সুনামহানির অভিযোগ করেছেন বিএনপির প্রার্থী এস এম রফিকুল ইসলাম (বাচ্চু)।

সাতক্ষীরায় এবার ভোটের সংবাদ সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছিলেন ১ হাজার ২০০ জন। এর মধ্যে যাচাই–বাছাই করে ৭৯২ জনকে দেওয়া হয়েছে পরিচয়পত্র।

পটুয়াখালী-৩ আসনে (গলাচিপা-দশমিনা) বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক (নুর) অভিযোগ করেছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন ও তাঁর সমর্থকেরা ধারাবাহিকভাবে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন।

জোটের প্রার্থী থাকার পরও চট্টগ্রাম–৮ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর ইশতেহার ঘোষণা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ ও ২ আসনে বিএনপির দুজন করে বিদ্রোহী প্রার্থী এবং একজন করে বিদ্রোহী প্রার্থী আছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে।

নারী ভোটারদের মুখ খুলে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ফরিদপুর–৩ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইবনে ইউসুফ।

প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার ভোটারের এই আসনে সাতজন প্রার্থী থাকলেও আড়াইহাজারের ভোটাররা বলছেন, ভোটের মূল লড়াই হবে ধানের শীষের সঙ্গে দাঁড়িপাল্লা ও কলস প্রতীকের।