
মানসিক স্বাস্থ্য: যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা ও বাংলাদেশের বাস্তবতা
যুক্তরাষ্ট্রে মানসিক স্বাস্থ্যকে শারীরিক স্বাস্থ্যের সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। এটি প্রাথমিক চিকিৎসা, শিক্ষাব্যবস্থা, কর্মক্ষেত্র ও স্বাস্থ্যবিমার সঙ্গে যুক্ত।

যুক্তরাষ্ট্রে মানসিক স্বাস্থ্যকে শারীরিক স্বাস্থ্যের সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। এটি প্রাথমিক চিকিৎসা, শিক্ষাব্যবস্থা, কর্মক্ষেত্র ও স্বাস্থ্যবিমার সঙ্গে যুক্ত।

ভোলাও তাই আর কোনো উচ্চবাচ্য করেনি। নিজের স্মৃতি ফিরে পেলেও তা জানায়নি। তবে শারীরিকভাবে সুস্থ হওয়ার পর কুলিগিরি শুরু করেছিল। কাল্লু সর্দার তাকে বুঝিয়ে দিয়েছে কুলির কাজ।

জুনকো কিছুক্ষণ ভেবে দেখে। কিন্তু বুঝতে পারে না মিয়াকি কী বোঝাতে চেয়েছে। তারপর জুনকো বলে, ‘কখনোই ভাবিনি আমি কীভাবে মরব। তা নিয়ে ভাবতেই পারি না। শুধু তা-ই নয়, আমি কীভাবে বাঁচব, সেটাই তো জানি না।’

ঠিক করেছি সেই ভয়ে ঘরে বসে থাকব! কিন্তু খাব কী! গ্যাস তো নেই, আর সিলিন্ডারের দাম ২২০০ টাকার ঊর্ধ্বে। সিলিন্ডার ব্যবহার করব, সেখানেও ভয়।

কান্নাকাটি করলেই বলতেন আমার মেয়ের মনোবলে এত কম হলে হবে? তারপর জীবনের কত চড়াই–উতরাই গেল। দুটো বাবু নিয়ে আলাদা জীবন যাপন শুরু করলাম। ফোনে শুধু শুনতাম, মা তুমি পারবে, আল্লাহর ওপর ভরসা রাখো, তোমার দায়িত্ব আমার নানুদের সুন্দর করে মানুষ করা।

কেরামতের জন্ম হয়েছিল দারিদ্র্যের ভেতর, কিন্তু সে দারিদ্র্যকে কখনো ক্ষমা করেনি। প্রথম খুন করেছিল বিশ বছর বয়সে। সেদিন রাতে সে বমি করেছিল অনেক। এখন আর করে না।

‘আমি ইছামতী কলেজ থেকে বলছি। আপনাকে আমাদের এখানে এক্সটার্নাল পরীক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আপনি কি আসবেন?’

সবাই অনায়াসে নিজের জন্মতারিখ, মাস, বছর বলে যায়। হালিমা গভীর বিস্ময়ে সবাইকে দেখে। ওদের প্রত্যেকের একটা জন্মদিন আছে। শুধু ও জানে না ওর জন্ম কবে হয়েছিল!

ফোনের ওপাশ থেকে বলল, আমি চিকিৎসক ইমরান বলছি। ইউনাইটেড হাসপাতাল থেকে। ফাহিমের অবস্থা খুবই খারাপ। শিগগির কাউকে পাঠান।

ঘোরাঘুরি করতেও দেখা গেছে তাঁকে। ল্যাংকাউই দ্বীপের ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘শীত নাই।’

পুরান ঢাকার মেয়ে নুজহাত বেগম। তিন সন্তানের মা। জরায়ুমুখের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন। চিকিৎসা শেষে এখন কেমন আছেন?

আশ্চর্যজনকভাবে সাদিয়া ও জামিলের ছেঁড়া ছেঁড়া সম্পর্কটা মিনির অদৃশ্য মায়ায় আটকে যায়। সংসারের এটা–সেটা আলাপের মাঝে প্রায়টুকু মিনির প্রসঙ্গ জুড়ে থাকে।