
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপ ঠিক হবে কি না, সন্দিহান কোনো কোনো মার্কিন সিনেটর
ইরানে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে সন্দিহান তাঁরা।

ইরানে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে সন্দিহান তাঁরা।

তেহরানের রাজপথের বাস্তবতা বিদেশি হামলার বিরুদ্ধে একধরনের মানসিক প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করেছে। প্রখ্যাত সামরিক বিশ্লেষক রন বেন ইশাইয়ের মতে, অসন্তোষ থাকলেও এসব বিক্ষোভের এখনো কোনো ঐক্যবদ্ধ নেতৃত্ব নেই এবং তাৎক্ষণিকভাবে সরকার উৎখাত করার সক্ষমতাও তৈরি হয়নি।

ইরানের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

গত বৃহস্পতিবার থেকে ইরানে ইন্টারনেট বন্ধ রয়েছে।

ইরানে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩৮ হয়েছে

ইরানে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে বিক্ষোভ চলছে।

ইরানে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছে

ইরানে বিক্ষোভ চললেও দেশটিতে সরাসরি হস্তক্ষেপের কোনো ইঙ্গিত দেয়নি ইসরায়েল।

মাদুরোর মতো খামেনির পরিণতি হতে পারে, এ ধারণা গভীরভাবে ত্রুটিপূর্ণ, এমনকি বিপজ্জনকও।

অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া এই ক্ষোভ দ্রুতই রাজনৈতিক অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৮ জানুয়ারি দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পরই কড়াকড়ি আরোপ করে সরকার।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে ইরানে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির ৪০ বছরের শাসনের পতন ঘটে। তখন তাঁর বড় ছেলে রেজা পাহলভির বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। তেলসমৃদ্ধ হাজার বছরের পুরোনো সেই সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী হিসেবে তিনিই ছিলেন প্রথম সারিতে। নিজের ‘জন্মগত অধিকার’ হারানোর প্রায় অর্ধশতাব্দী পর ৬৫ বছর বয়সে এসে পাহলভির অপেক্ষার প্রহর হয়তো শেষ হতে চলেছে।

প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইরানে হামলার হুমকিও দিয়েছেন।