
ইরানে হামলা ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে, শতাধিক মার্কিন বিশেষজ্ঞের খোলাচিঠি
ইরানে নির্বিচার হামলার জন্য নিজ দেশেই সমালোচনার মুখে পড়ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানে নির্বিচার হামলার জন্য নিজ দেশেই সমালোচনার মুখে পড়ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরান যুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাশিয়া গোয়েন্দা সহায়তা দিচ্ছে বলে মার্কিন গোয়েন্দা জানিয়েছে। এতে ট্রাম্প পুতিনের সঙ্গেও প্রক্সি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন। সৌদি আরবের মার্কিন ঘাঁটিতে সফল হামলায় মস্কোর ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ প্রায় শেষ, তবে কয়েক সপ্তাহে আরও কঠোর হামলার ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জাতির উদ্দেশে ভাষণে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু যুদ্ধের পর প্রথম এই ভাষণ। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইং-এ বলরুম নির্মাণ আটকিয়েছে একজন মার্কিন বিচারক, কংগ্রেসের অনুমোদনের অভাব তুলে ধরে। ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর হিস্টোরিক প্রিজারভেশনের মামলায় জাজ রিচার্ড লিওন কাজ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। ট্রাম্প প্রশাসন আপিল করেছে, প্রকল্পটি ব্যক্তিগত অর্থায়নে চলছে বলে দাবি করছে।

ইরানের নির্বাসিত নেতা রেজা পাহলভি ট্রাম্পকে ইরানের শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে চুক্তি না করার সতর্কবাণী দিয়েছেন। তিনি নিজেকে ইরানের অন্তর্বর্তী নেতা হিসেবে দাবি করলেও ট্রাম্প সংশয় প্রকাশ করেছেন। সিপিএসি সম্মেলনে তিনি ইরান মুক্তির অঙ্গীকার করেন।

ওয়াশিংটনের কেনেডি সেন্টার সামনে জেন ফন্ডার নেতৃত্বে সাংবাদিক ও শিল্পীরা ট্রাম্প প্রশাসনের স্বৈরতন্ত্র, বই নিষেধাজ্ঞা ও বাকস্বাধীনতা হরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন। ফন্ডা নাগরিকদের নীরবতা ভাঙার আহ্বান জানিয়েছেন। সমাবেশে জয় রিড, জোয়ান বায়েজসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজনৈতিক এই প্রচলিত ধারার ঊর্ধ্বে এক বিস্ময়কর ব্যতিক্রম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। বারবার তাঁর অসত্য দাবিগুলো ধরা পড়লেও তিনি পিছু হটেননি।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বকে এটা বিশ্বাস করাতে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান এখন যুদ্ধ শেষ করতে প্রস্তুত।

ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ শুরু করে এখন মুখ রক্ষার উপায় খুঁজছেন।

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধের দ্রুত অবসান ঘটাতে চাচ্ছেন ট্রাম্প।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে কিছুটা সুর নরম করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে বিমান ও নৌবাহিনী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনায় রাখছে।