
সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনেই ধানের শীষ জয়ী
বিএনপির জয়ী প্রার্থীরা হলেন কামরুজ্জামান কামরুল, নাছির চৌধুরী, কয়ছর আহমদ, নূরুল ইসলাম ও কলিম উদ্দিন আহমেদ।

বিএনপির জয়ী প্রার্থীরা হলেন কামরুজ্জামান কামরুল, নাছির চৌধুরী, কয়ছর আহমদ, নূরুল ইসলাম ও কলিম উদ্দিন আহমেদ।

হবিগঞ্জ-৪ আসনে ভোটের মাঠে ৯ জন প্রার্থী থাকলেও আলোচনায় বেশি আছেন বিএনপির এস এম ফয়সল ও ইসলামী ফ্রন্টের মাওলানা তাহেরী।

১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে ‘বনিবনা’ না হওয়ায় সুনামগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী শেখ মুশতাক আহমেদ।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ব্যতিক্রমী ও প্রতীকী কর্মসূচির মাধ্যমে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী প্রীতম দাশ।

শনিবার দুপুরে নিজ জন্মস্থান মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌর শহরের নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ১১–দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শফিকুর রহমান।

শনিবার দুপুরে হবিগঞ্জ শহরের সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী সভা-সমাবেশেও সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে নানাভাবে আলোচনায় নিয়ে আসছেন। দিরাই-শাল্লার সম্প্রীতির রাজনীতিতে সুরঞ্জিতের অবদানের কথা তুলে ধরছেন।

সুনামগঞ্জ-৪ আসনে (সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ায় সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের ১৪ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

হবিগঞ্জে গণ অধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি চৌধুরী আশরাফুল বারী (নোমান) প্রায় ৩০০ নেতা-কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।

পোস্টার লাগানো নিষিদ্ধ থাকায় মৌলভীবাজারের চা-বাগানগুলোয় নেই চেনা নির্বাচনী আমেজ। মাইকিংও আগের মতো নেই। ফলে ভোট আসছে—এ খবরই যেন ঠিকমতো পৌঁছাচ্ছে না শ্রমিকদের কাছে।

চা-বাগান ও গ্রামের আঁকাবাঁকা পথ ঘুরে ঘুরে পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনের প্রার্থী প্রীতম দাশ।

প্রশাসন উদ্যোগী হয়ে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ইতিহাস-ঐতিহ্যের সংশ্লিষ্ট নানা স্মারক সংগ্রহ করে।