
যুদ্ধ শুরু হলে চীন কি ইরানকে রক্ষা করবে
গত বছরের শেষ দিকে ইরানের একাধিক শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়। অর্থনৈতিক চাপ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট এবং গত জুনে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের পর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্লান্তির সমন্বয়ে মানুষ ফুঁসে ওঠে।

গত বছরের শেষ দিকে ইরানের একাধিক শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়। অর্থনৈতিক চাপ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট এবং গত জুনে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের পর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্লান্তির সমন্বয়ে মানুষ ফুঁসে ওঠে।

কান্নাকাটি করলেই বলতেন আমার মেয়ের মনোবলে এত কম হলে হবে? তারপর জীবনের কত চড়াই–উতরাই গেল। দুটো বাবু নিয়ে আলাদা জীবন যাপন শুরু করলাম। ফোনে শুধু শুনতাম, মা তুমি পারবে, আল্লাহর ওপর ভরসা রাখো, তোমার দায়িত্ব আমার নানুদের সুন্দর করে মানুষ করা।

‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ ও শিখা গোষ্ঠীর নায়কদের মধ্যে আপনিই একমাত্র আমার স্বচক্ষে দেখা মানুষ। দেখেছি দেশভাগের পরে, ১৯৫০-এর দশকে।

তার জ্বলন্ত লাশ নিয়ে উল্লাস করেছে মানুষ এই বেইনসাফের রাস্তায় কবিতার মতো হেঁটেছিল হাদি

হাসপাতালে মানুষ আসে শারীরিক ভোগান্তি থেকে মুক্তির আশায়, কিন্তু সেই হাসপাতালে আসার পথটাই রোগীদের জন্য আরও বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে উঠেছে।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ছিকিরাইল এলাকাতে হাইল হাওরের বুকে তখন কুয়াশাজড়ানো ধূসর রঙিন সকাল। একটু একটু করে চারপাশ জেগে উঠছে। জেগে উঠছেন হাওরপারের কৃষিজীবী মানুষ, মৎস্যজীবীরা।

সাধারণ মানুষ, সংবাদকর্মী, ক্যামেরা, ট্রাইপড—সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত জমায়েত। সবাই জানত ভেতরে কে আছেন। নামটা উচ্চারণ না করেও সবাই বলত—‘দিদি’। এমনকি সংবাদকর্মীরাও।

আসিফ নজরুল বলেন, ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থানকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশে মানুষ আজ স্বাধীনভাবে ঘৃণা ও ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারছে।’

মাগুরা জেলা স্টেডিয়াম চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে পাঁচ কিলোমিটারের হাফ ম্যারাথন। তরুণ-তরুণী ও শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী তিন শতাধিক মানুষ অংশ নেয় এতে।

গত মঙ্গলবার দুপুরে পদ্মা নদীতে কুমির দেখার পর থেকে প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করছেন।

হোটেলের প্রবেশমুখে এখনো আস্তানা গেড়েছে বেশ কিছু বিড়াল, সংখ্যায় পনেরো-বিশের কম হবে না। কোন মানুষ হেঁটে যাওয়ার সময় করুণ গলায় মিও মিও করছে, দেখলে মায়া লাগে। এত দিন হোটেলের উচ্ছিষ্ট খেয়ে তাদের চলে যেত, এখন হয়তো মঙ্গা ভর করেছে তাদের পৃথিবীজুড়ে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাম উচ্চারণ করলেই মনে পড়ে শত বছরের আমের ঐতিহ্য—ফজলি, ক্ষীরসাপাতি, ল্যাংড়া, আশ্বিনা। এখানকার মানুষ গর্ব করে বলে, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাটিতে মধু আছে।’