
ইরান আমাকে সর্বোচ্চ নেতা বানাতে চেয়েছিল, আমি না বলে দিয়েছি: ট্রাম্প
ট্রাম্প বলেন, ‘দুনিয়ার কোনো দেশের প্রধানই ইরানের প্রধান হতে চাইবেন না।’

ট্রাম্প বলেন, ‘দুনিয়ার কোনো দেশের প্রধানই ইরানের প্রধান হতে চাইবেন না।’

ইরান বাংলাদেশের ছয়টি জ্বালানিবাহী জাহাজকে হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের অনুমতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকার ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি। বাংলাদেশে জ্বালানিসংকটের দিকে ইরান নজর রেখেছে এবং প্রয়োজনে সহায়তা দেবে। ইরানে আটকে থাকা ১৮০ বাংলাদেশি ইতিমধ্যে দেশে ফিরেছেন।

‘কাফির’ বা ‘অবিশ্বাসী’ শব্দটি যেভাবে তাঁর শরীরে মুদ্রিত, তা অন্য ধর্মের প্রতি তাঁর আজন্ম ঘৃণা ও সংঘাতময় মানসিকতার পরিচয় দেয়।

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বারুদের গন্ধ। একদিকে ইসরায়েল আর যুক্তরাষ্ট্র, অন্যদিকে ইরান। শক্তিমত্তার দিক দিয়ে বিচার করলে এটি একটি অসম লড়াই। এটি কত দিন চলবে, কে জানে।

সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ নেতৃত্বের উত্তরাধিকার প্রশ্নেও লারিজানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। মোজতবা খামেনিকে ক্ষমতায় আনার সম্ভাবনার বিরোধিতা করেছিলেন লারিজানি ও সাবেক প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি।

চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ বহাল থাকার ঘোষণা ট্রাম্পের।

ইরানে হামলার জন্য ইসরায়েল ইরাকের মরুভূমিতে গোপন সামরিক ঘাঁটি গড়ে তুলেছিল। ইরাকি সেনারা ঘাঁটির খোঁজ পেয়ে যাওয়ায় ইসরায়েল বিমান হামলা চালায়, এক সেনা নিহত হন। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাক্ষরিত চুক্তিটি কার্যকর করার সব দায় সরাসরি ওয়াশিংটনের ওপর চাপিয়েছেন।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ায় চরম আতঙ্কে আছেন প্রবাসী আহমেদ উল্লা। মঙ্গলবার মুঠোফোনে তিনি মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘প্রথম যেদিন কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা হয়, সেদিন থেকেই আমরা চরম আতঙ্কের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।

ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ তৃতীয় মাস পেরিয়ে চতুর্থ মাসে প্রবেশ করতে চলেছে। এই দীর্ঘায়িত সংঘাতকে ঘিরে এখন আবারও ভিয়েতনাম, আফগানিস্তান ও ইরাকের মতো যুক্তরাষ্ট্রের অতীতের ব্যর্থ যুদ্ধগুলোর সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে।

যুদ্ধ শেষ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ১৪ দফার নতুন একটি প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য যুদ্ধ বন্ধ করা এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনা। গত শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি নতুন প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করছেন, তবে এখনো চুক্তির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি।

তবে ইরানের নেতৃত্বের প্রতি ট্রাম্পের কঠোর কূটনৈতিক অবস্থান নমনীয় করার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি।