
চুক্তি না হলে ইরানের জন্য ‘খুব খারাপ সময়’ অপেক্ষা করছে: ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি না হলে খারাপ সময় আসতে পারে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি না হলে খারাপ সময় আসতে পারে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জেনেভা সফরের পরিকল্পনা হঠাৎ বাদ দেওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব স্বাক্ষর করায় নিঃসন্দেহে এই সমঝোতা স্মারকের গুরুত্ব অনেক বেশি। তবে সতর্কতার বিষয় হলো, টেকসই ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে যে দীর্ঘ ও বন্ধুর পথ, এটি তার প্রথম ধাপ।

গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে যে নৌ অবরোধ শুরু করে ওয়াশিংটন, তা ইরানকে শান্তিচুক্তির শর্ত মেনে নিতে চাপ প্রয়োগের কৌশলের অংশ।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে ইরানের শান্তিচুক্তির প্রস্তাব নিয়ে উল্লেখযোগ্য ভুল তথ্য রয়েছে বলে ইরানের সূত্র দাবি করেছে। তাসনিম নিউজের সূত্র জানিয়েছে, তেহরান যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধ, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ একাধিক দাবি তুলেছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ দফার প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে ইরান।

ইরান পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তির সর্বশেষ প্রস্তাবে জবাব পাঠিয়েছে। গত সপ্তাহে ইরানের কাছে ১৪ দফার প্রস্তাব পাঠানো হয় যুক্তরাষ্ট্রের। তবে জবাবের বিষয়বস্তু এখনও প্রকাশিত হয়নি।

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের নিরাপত্তা দেওয়ার ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ থেকে সৌদি আরবের বাধায় পিছু হটেছেন ট্রাম্প। মিত্রদের না জানিয়ে ঘোষণা করায় সৌদি ক্ষুব্ধ হয় এবং সহযোগিতা প্রত্যাখ্যান করে। শান্তিচুক্তির সম্ভাবনায় অভিযান স্থগিত করেছেন ট্রাম্প।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তিচুক্তির আশায় এশিয়ার শেয়ারবাজারে বড় উল্লম্ফন। নিক্কেই ৬২ হাজার ছাড়িয়েছে, তেলের দাম নেমেও যুদ্ধপূর্বের চেয়ে ৪০% বেশি। মূল্যস্ফীতির চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি এক শান্তিচুক্তির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা মনে হচ্ছে বিশ্বাসের ঘাটতি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি ‘চূড়ান্ত’ শান্তিচুক্তির পথে ‘অনেক দূর’ এগিয়েছে।