
কালোজামের রেসিপি
গুঁড়া দুধ, ময়দা ও বেকিং পাউডার একসঙ্গে মিশিয়ে তাতে ডিমের মিশ্রণ অল্প অল্প করে দিয়ে নরম ডো বা খামির বানিয়ে নিয়ে তা আধা ঘণ্টার জন্য ঢেকে রেখে দিতে হবে।

গুঁড়া দুধ, ময়দা ও বেকিং পাউডার একসঙ্গে মিশিয়ে তাতে ডিমের মিশ্রণ অল্প অল্প করে দিয়ে নরম ডো বা খামির বানিয়ে নিয়ে তা আধা ঘণ্টার জন্য ঢেকে রেখে দিতে হবে।

প্যান বা কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে অল্প আঁচে একটু সময় নিয়ে সোনালি করে ভেজে তুলে নিতে হবে। মিষ্টি তেলে ভাজা হতে হতে চিনির শিরা তৈরি করে নিন।

চিনি, ডিম ও ঘি ভালোভাবে ফেটিয়ে রাখতে হবে। ময়দা, সুজি, গুঁড়া দুধ, এলাচিগুঁড়া আর বেকিং পাউডার মিশিয়ে নিন।

উচ্ছেগুলোয় সামান্য লবণ ও হলুদ মাখিয়ে অন্য একটি কড়াইতে তেল গরম করে মচমচে করে ভেজে তুলে রাখুন।

বৈশাখের অতিথি আপ্যায়নে বাড়িতে তৈরি করুন তরমুজের পুডিং। জেবুন্নেসা বেগমের দেওয়া সহজ রেসিপিতে তরমুজের রস, চিনি, আগার আগার ও লেবুর রস ব্যবহার করুন। ফ্রিজে জমিয়ে ২০-২৫ মিনিট পর সেবা করুন।

শুভাগতা দেবাশীষের দেওয়া এই রেসিপিতে হাতে মাখা পুঁটি মাছের সঙ্গে শর্ষেবাটা, পেঁয়াজকুচি ও অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে সহজেই চচ্চড়ি তৈরি করা যায়। ১০-১৫ মিনিট ম্যারিনেট করে অল্প আঁচে রান্না করলেই তৈরি সুস্বাদু খাবার। আলাদা পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

গুড়ের রসগোল্লা তৈরির জন্য পূর্ণ ননিযুক্ত দুধ থেকে ছানা তৈরি করে মসৃণ করুন। ছোট বল বানিয়ে গুড়-চিনির শিরায় ভেজে নিন। একবার ফুটে উঠলেই দুধে ভিনেগার দিয়ে ঘন ঘন নেড়ে দুধ ফেটে গেলেই চুলা বন্ধ করে ১০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে।

দুটো পেঁয়াজকুচি, আদা-রসুনবাটা, গরমমসলা আর লবণ দিয়ে মাংসটা ভালো করে সেদ্ধ করে নিন।

তেল বাদে বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে মাখিয়ে পছন্দমতো আকারে কাবাব তৈরি করে নিন।

চাল ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে ট্রেতে ২০ মিনিট ছড়িয়ে রেখে দিন। একটি পাত্রে ১০০ মিলিলিটার ঘি গরম করে তাতে ১ চা-চামচ হলুদ দিন।

গম, মাষকলাই ডাল ও মুগ ডাল টেলে নিন। চাল, ডাল ও গম সেদ্ধ করে বেটে নিন। তেলে পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে সব মসলা ও মুরগি দিয়ে কষান।

ডাল পরিষ্কার করে ধুয়ে ভিজিয়ে রাখুন। ২ ঘণ্টা পর ডাল ফুলে উঠলে পানি ঝরিয়ে বেটে নিন। বেশি মিহি করে বাটবেন না।