
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে কী ভাবছে ইরানের নেতৃত্ব
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পথ খোলা রাখলেও কট্টরপন্থীদের শর্তে সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হচ্ছে ইরানের।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পথ খোলা রাখলেও কট্টরপন্থীদের শর্তে সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হচ্ছে ইরানের।

হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ চলাকালীন ইরাক ও পাকিস্তান জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে তেহরানের সঙ্গে চুক্তি করেছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত পাঁচটি সূত্র রয়টার্সকে তথ্য দিয়েছে। ইরাকের দুটি তেলবাহী জাহাজ গত রোববার প্রণালী অতিক্রম করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল শুক্রবার বলেছেন, ইরান মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের মুখোমুখি না হয়ে বরং আলোচনার মাধ্যমে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চাইবে বলে তিনি আশা করছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরান চুক্তি না মানলে আবার হামলা হবে। লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ২৫৪ জন নিহত, ১ হাজার ১১০ জনের বেশি আহত। ইরান শান্তি আলোচনাকে অযৌক্তিক বলেছে।

আমার সামনে ৩২ পৃষ্ঠার যে দলিল আছে, তার শিরোনাম—‘অ্যাগ্রিমেন্ট বিটুইন দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা অ্যান্ড দ্য পিপলস রিপাবলিক অব বাংলাদেশ অন রেসিপ্রোক্যাল ট্রেড’, অর্থাৎ এটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তির একটি দলিল।

‘এমন পদক্ষেপ লেবাননকে শত্রু ইসরায়েলের হাতের পুতুলে পরিণত করবে।’

ট্রাম্প বলেছেন, শেষ পর্যন্ত একটি চুক্তিতে আসা ছাড়া ইরানের সামনে ‘কোনো বিকল্প নেই’।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এখনো দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য থেকে গেছে বলে মনে হচ্ছে।

আজ সচিবালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের বৈঠক হয়।

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান মতৈক্যে পৌঁছেছে।

মাত্র ১৫ সপ্তাহ আগে সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না।’

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্যচুক্তি পর্যালোচনার জন্য জাতীয় সংসদে উত্থাপনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন।