
ট্রাম্প সহযোগীদের বলেছেন, দ্রুত ইরান যুদ্ধ শেষ করতে চান তিনি
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তেহরানসহ ইরানের প্রধান শহরগুলোয় হামলা চালানো হয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তেহরানসহ ইরানের প্রধান শহরগুলোয় হামলা চালানো হয়।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে কিছুটা সুর নরম করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত ইরানের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংসের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পেরেছে।

কুইন্সি ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞ ত্রিতা পার্সির মতে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ছাড়া ট্রাম্পের সামনে ভালো কোনো বিকল্প ছিল না। আল-জাজিরার সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পুরো যুদ্ধ হলে বিশ্ব জ্বালানি সংকটে পড়ত এবং ট্রাম্পের সরকার ধ্বংস হতো। চুক্তিটি ইরানের ১০ দফা পরিকল্পনার ভিত্তিতে হবে।

দিয়েগো গার্সিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের একটি যৌথ সামরিক ঘাঁটি নিশানা করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধ করতে পাকিস্তান, মিসর ও তুরস্ক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।

হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ের বিরোধিতায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একমত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরান হামলার পর তেহরান এই জলপথ বন্ধ করে দিয়েছে। ট্রাম্প-সি চিন পিংয়ের বৈঠকে এই বিষয় আলোচিত হবে।

ইরানের সরকার সহজে ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা কম। এটি একটি বিস্তৃত ও শক্ত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

২৩ মার্চ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতার কিছু ‘প্রধান বিষয়ে’ একমত হয়েছে।

যুদ্ধ বন্ধে একটি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এই চুক্তিতে যে ১৪ বিষয় থাকছে, তার বিস্তারিত প্রকাশ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।

ইসরায়েলের বোমাবর্ষণ কি ইরানে ধর্মতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটাতে পারবে? ইতিহাস দেখায়, বোমা ফেলে জনগণ শাসকের বিরুদ্ধে নয়, বরং বাহ্যিক শত্রুর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়। তেহরানের মানুষও একই স্থৈর্য দেখাচ্ছে।

ইরানের খারগ দ্বীপ দখলের সম্ভাবনা মার্কিন জোটের মিত্রদের শর্তসাপেক্ষ অবস্থানকে প্রকাশ করছে। তেল সরবরাহের ঝুঁকি ও অর্থনৈতিক প্রভাব জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসনের সামনে এই চ্যালেঞ্জ গুরুতর।