
আলোকচিত্রে গল্প (১০)
ট্যাংকগুলো লোকটির কাছে এসে থামল। প্রথম ট্যাংকটা সামান্য বাঁ দিকে ঘুরল, যেন তাকে পাশ কাটিয়ে চলে যাবে। লোকটা এক পা এগিয়ে গিয়ে আবার সামনে দাঁড়ালেন।

ট্যাংকগুলো লোকটির কাছে এসে থামল। প্রথম ট্যাংকটা সামান্য বাঁ দিকে ঘুরল, যেন তাকে পাশ কাটিয়ে চলে যাবে। লোকটা এক পা এগিয়ে গিয়ে আবার সামনে দাঁড়ালেন।

জীবনানন্দের সমসাময়িক প্রধান দুই কবি, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ও বিষ্ণু দে–কেও এই সময় রূপান্তরিত করেছিল; বদলে দিয়েছিল কথাশিল্পী মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

আপনি বালি দিয়ে তায়াম্মুম করছেন কেন?’ ‘হতে পারে সেখানে পৌঁছানোর আগেই আমি আর বেঁচে না–ও থাকতে পারি’, জবাবে তিনি বললেন।

আমার মনের বনে যে ঘন শীত পড়ছে, তা নিবারণ করতে তুমি আসবে তো হিমা? একজন বলল, ‘আপনার কবিতায় এত এত মৃত্যু আসে কেন?’

তিনি মরদেহের পাশে অবিরাম কোরআন পাঠ করছিলেন। তখনো আমাদের ভয় ছিল, তাঁর মরদেহ সামরিক জান্তা উঠিয়ে নিয়ে যাবে।

একই পরিস্থিতিতে ও পরিবেশে দীর্ঘদিন একই ধরনের কাজে নিয়োজিত থাকার ফলে এক ধরনের অভ্যাস, রীতি, দৃষ্টিভঙ্গি, ছন্দ, অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও মূল্যবোধ গঠিত হয়।

দ্য লিটল প্রিন্স সাঁ-জুপেরিকে অমরত্ব দিয়েছে। আলোড়িত করেছে, করে যাচ্ছে অগণিত পাঠকের মন।

ডরোথিয়া ল্যাং তাঁর আরামদায়ক স্টুডিও ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন মহামন্দার নির্মম বাস্তবতা ক্যামেরায় ধারণ করতে।

কবরস্থানের কুয়াশা কতট ঘন? দেখা না পাই তোমায় পিতা।

পঞ্চাশের দশক আমানুল হকের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে তাঁর হাত ধরে এ দেশে সৃজনশীল আলোকচিত্রের সূচনাপর্বের ভিত রচিত হয়।

বাংলার নিম্নবর্গের স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামে যোগেন মণ্ডল শেষ পর্যন্ত জিততে পারেননি, যেভাবে ভারত ও পাকিস্তানে চূড়ান্ত বিচারে হেরেছিলেন গান্ধী ও জিন্নাহ।

চোখ বন্ধ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অস্ফুট স্বরে বললেন, ‘আমরা কবিরা স্বপ্ন দেখি যে ইহুদিরা জাতীয়তাবাদের পশ্চিমা ধারণা থেকে নিজেদের মুক্ত করতে পারলে ফিলিস্তিনকে তারা গড়তে পারবে।’