
মহাকাশের গভীর থেকে আসা রহস্যময় নীল আলোর উৎস কী
মহাকাশের গভীর থেকে আসা রহস্যময় নীল আলোর উৎস জানতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।

মহাকাশের গভীর থেকে আসা রহস্যময় নীল আলোর উৎস জানতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।

১৬ সাইকি নামের গ্রহাণুটিকে ট্রিলিয়ন ডলারের গ্রহাণু বা মহাকাশের গুপ্তধন হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, ডার্ক ম্যাটারের সাহায্যে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রে ৩২ হাজার ৬০০ আলোকবর্ষ প্রশস্ত একটি ওয়ার্মহোল লুকিয়ে থাকতে পারে। এটি স্থান-কালের সুড়ঙ্গ হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে অনেক বিজ্ঞানী এই তত্ত্ব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

ইউনিভার্সিটি অব মাল্টারের বিজ্ঞানীরা ছায়াপথ গ্যালাক্সির শেষ সীমানা ৪০ হাজার আলোকবর্ষ দূরে নির্ধারণ করেছেন। নতুন নক্ষত্র গঠন বন্ধ হওয়ার অঞ্চলকে তারা প্রান্ত বলে বিবেচনা করেছেন। এক লাখের বেশি নক্ষত্রের বয়স বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়েছে।

নেপচুনের কক্ষপথের বাইরে ৫০০ কিলোমিটার ব্যাসের ২০০২ এক্সভি৯৩ গ্রহাণুতে অত্যন্ত পাতলা বায়ুমণ্ডলের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। নক্ষত্রিক গ্রহণের মাধ্যমে এই আবিষ্কার করা হয়েছে, যা সৌরজগতের প্রান্তীয় জগত সম্পর্কে নতুন জ্ঞান যোগ করছে। বিজ্ঞানীরা এর পুনরুদ্ধারের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ধূমকেতু সংঘর্ষ বা আগ্নেয়গিরি উল্লেখ করেছেন।

রাশিয়ার আবহাওয়া স্যাটেলাইট ইলেকট্রো-এল দিয়ে ধারণ করা একটি ওয়াইড-অ্যাঙ্গেল ছবিতে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিশাল অংশকে একটি রহস্যময় সবুজ আভা হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

বিশাল মহাবিশ্বে কি অন্য কোথাও প্রাণের অস্তিত্ব আছে? এই প্রশ্ন আমাদের অনেকের মনেই উঁকি দেয়।

মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং বিশদ ত্রিমাত্রিক মানচিত্র উন্মোচন করেছেন বিজ্ঞানীরা।

রহস্যময় ডার্ক ম্যাটারের সঠিক তথ্য জানতে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা করছেন বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা।

নাসা অরোরার বৈদ্যুতিক মানচিত্র তৈরির জন্য আলাস্কা থেকে দুটি রকেট উৎক্ষেপণ করেছে। জিএনইআইএসএস অভিযানে সিটি স্ক্যানের মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইলেকট্রন প্রবাহের রহস্য উদঘাটন করা হবে। এটি স্যাটেলাইট ও যোগাযোগব্যবস্থার ক্ষতি রোধে সহায়ক হতে পারে।

ধূমকেতু সি/২০২৬ এ১ (ম্যাপস) সূর্যের পৃষ্ঠ থেকে মাত্র এক লাখ মাইল দূরে গিয়ে অক্ষত ফিরে এসেছে। এটি এখন পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখা যাচ্ছে। ১২ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিম আকাশে দিগন্তের কাছে এর উপস্থিতি লক্ষ করা সম্ভব।

নাসার পারসিভিয়ারেন্স রোভার মঙ্গলের নেরেতভা ভ্যালিসে অভূতপূর্ব পরিমাণ নিকেল শনাক্ত করেছে। এই আবিষ্কার প্রাচীন মঙ্গলের রাসায়নিক ইতিহাস এবং অণুজীবের বাসযোগ্যতা নিয়ে নতুন আলোকপাত করবে। বিজ্ঞানীরা এতে অক্সিজেনবিহীন পরিবেশ এবং জৈব যৌগের সন্ধান পেয়েছেন।