
শেরপুর–৩ আসনে লড়বেন ৫ প্রার্থী, ভোট গ্রহণ ৯ এপ্রিল
স্থগিত হওয়া শেরপুর–৩ আসনে আগামী ৯ এপ্রিল ভোট গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। আজ সোমবার শেষ দিনে মনোনয়নপত্র জমা দেন জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান।

স্থগিত হওয়া শেরপুর–৩ আসনে আগামী ৯ এপ্রিল ভোট গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। আজ সোমবার শেষ দিনে মনোনয়নপত্র জমা দেন জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান।

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-দক্ষিণ) আসনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী নুরুল হুদার ছেলে তানভীর হুদা।

দলের মনোনয়ন না পেয়েও মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া মনোনয়নপত্র জমা দেন বিএনপির প্রার্থী হিসেবে। তিনিই এখন কুমিল্লা-১০ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী।

হলফনামায় দেওয়া প্রার্থীদের তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে টিআইবি। সংস্থাটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অন্তত তিন প্রার্থী বিদেশে থাকা সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। কিন্তু তাঁদের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে।

নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত তালিকায় আছে মোহাম্মদ ইয়াসির আরশাদ। তিনি গতকাল মঙ্গলবার নির্ধারিত সময় বিকেল পাঁচটার পর সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার হোয়াটসঅ্যাপে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেন।

শুরুতে ১১৭ আসনে বিএনপির ১৯০ জনের মতো দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে প্রার্থী হয়েছিলেন। তাঁদের কারও কারও মনোনয়নপত্র বাছাইপর্বে বাতিল হয়েছে। গতকাল অনেকে প্রত্যাহারও করেছেন।

মনোনয়নপত্র বাতিলের ইসির সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে চট্টগ্রাম-২ আসনে (ফটিকছড়ি) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের করা রিটের ওপর আদেশের জন্য বৃহস্পতিবার দিন রেখেছেন হাইকোর্ট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপিল শুনানি শেষ হয়েছে গত রোববার। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন আগামীকাল বুধবার।

চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর ও কুমিল্লা–১০ আসনে দলটির প্রার্থী আবদুল গফুর ভুইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

কুমিল্লা–৪ আসনের প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে গেছে ইসিতে আপিলে। প্রার্থিতা ফিরে পেতে এখন তাঁর সামনে পথ আছে আদালতে যাওয়া।

কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি জানিয়েছে, আজ ১১২ আপিল আবেদন শুনানির জন্য ধার্য ছিল। এর মধ্যে ৪৫টি মঞ্জুর (২টি মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে) হয়েছে।