
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতার জন্য পর্দার আড়ালে পাকিস্তানের তৎপরতা
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার দরজা খোলা রাখতে সচেষ্ট পাকিস্তান।

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার দরজা খোলা রাখতে সচেষ্ট পাকিস্তান।

বাণিজ্য ও বন্দর সংযোগ আবার চালু করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। কারণ, এগুলো বাংলাদেশকে রপ্তানির গন্তব্যস্থলে, বিশেষ করে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে অগ্রাধিকারমূলক প্রবেশাধিকার প্রদান করে।

ট্রাম্প হয়তো আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে ন্যাটো থেকে প্রত্যাহার করবেন, অথবা কোনো প্রকাশ্য ঘোষণার পথ এড়িয়ে অবহেলা, উপেক্ষা ও অবজ্ঞার মাধ্যমে জোটটিকে ভেতর থেকে ফাঁপা করে তুলবেন। তবে তিনি যে পথই ধরুন, শেষ ফল একই হবে। ন্যাটোতে ভাঙন হবে।

ভারত ও আফগানিস্তান—উভয়ের প্রতিই তাদের সতর্কবার্তা স্পষ্ট এবং কখনো কখনো প্রকাশ্যভাবে আগ্রাসী, যা নতুন শক্তি থেকে কাজ করা একটি রাষ্ট্রের চিত্রকে আরও জোরদার করে। কিন্তু যে পদক্ষেপগুলো পাকিস্তানের অবস্থানকে উঁচুতে তুলেছে, সেগুলোই আঞ্চলিক বিভাজনরেখাগুলোকে আরও তীক্ষ্ণ করেছে এবং যে পরিসরে এই উত্তেজনা এখন বিস্তার লাভ করছে, সেটিও বড় করেছে।

পৃথিবীর মোট পরিধি প্রায় ২৫ হাজার মাইল বা ৪০ হাজার কিলোমিটার। এ তথ্য আমরা ছোটবেলা থেকেই জানি।

হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচল সহজতর করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আশ্বাস ইরান দূতাবাসের।

ইরানি রাজনীতিবিদ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা—উভয় পক্ষই নিজেদের বিজয়ী দাবি করছে।

১৯৭০–এর দশকের জ্বালানির সংকট ছিল মূলত তেলের সংকট। ১৯৭৩ সালে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মিসর ও সিরিয়ার ইয়োম কুপ্পির যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর নির্ভরতা কমানোর তাগিদ অনুভব করে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র যে যুদ্ধ বাধিয়েছে, তাতে জ্বালানি তেলের সংকট তৈরি হয়ে দেশটির মিত্রদেরই বেশি ভোগাচ্ছে।

রাশিয়া ইরানকে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এবং যুদ্ধবিমানের অবস্থান–সম্পর্কিত গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করছে।

ব্রহ্মপুত্র নদ নিয়ে চীন ও ভারত দুই দেশই প্রতিযোগিতামূলক ও অচল এক সম্পর্কের জালে আটকে আছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নিহত হওয়ার ঘটনায় পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়ায় ছিল কৌশলী অবস্থান।