
জিয়াউর রহমানের বিখ্যাত বেতার ভাষণের কথা স্মরণ করছি: ভারতীয় দূতাবাস
একসঙ্গে কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেছে তারা।

একসঙ্গে কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেছে তারা।

বাঙালি অল্পতেই সন্তুষ্ট বলে একটা কথা আছে। মাওলানা ভাসানী এক ভাষণে বলেছিলেন, ‘এ দেশের মানুষ দুবেলা ডালভাত খেতে পারলেই খুশি।’

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের দেওয়া ভাষণে রাষ্ট্র পরিচালনায় নিরাপত্তা ও উন্নয়নের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং সিভিল-মিলিটারি সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বসহকারে উপস্থাপিত হয়েছে।

তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় শপথগ্রহণের পর প্রথম ভাষণে নিজেকে সাধারণ মানুষ বলে উল্লেখ করে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের যুগ গড়ার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি ক্ষমতার একমাত্র কেন্দ্র হবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। শপথের পরপরই বিদ্যুৎ বিনামূল্যে এবং নারী সুরক্ষা বাহিনী গঠনের নির্দেশ দেন।

বাছাইপর্বে জয়ের পর দেওয়া ভাষণে বিবেক রামাস্বামী ওহাইওর ভোটারদের ধন্যবাদ জানান।

গত ৩০ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শেষ দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় সরকারি দল ও বিরোধী দল উভয় পক্ষ থেকেই দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইতিবাচক হাওয়া পাওয়া গেল।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান সরকারি দলকে ইতিহাসকে ইতিহাসের জায়গায় রেখে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির উইন্টার, সামার, স্প্রিং ও ফল সেমিস্টার ২০২৫ ও ২০২৬-এর নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।

নতুনকে আবাহন করার জন্য আমরা এখানে সমবেত হয়েছি। নববর্ষের বাণী নতুনকে সাদর সম্ভাষণ জ্ঞাপনের বাণী। আমি তরুণদের জীবনের কর্মপথে বলিষ্ঠ পদক্ষেপে অগ্রসর হওয়ার জন্য আবেদন জানাচ্ছি।

রাজধানীর তোপখানা রোডে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের আলোচনাসভায় সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদকে রাজনৈতিক ফ্যাসিবাদের চেয়ে ভয়াবহ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশিষ্ট বক্তারা জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক নেতাদের ভাষণে সংস্কৃতির অনুপস্থিতি তুলে ধরে আত্মপরিচয়ের সংকটের কথা বলেন। আবুল মনসুর আহমদের দর্শন অনুসরণ করে সাংস্কৃতিক সংস্কারের আহ্বান জানানো হয়।

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ধন্যবাদ প্রস্তাবে সরকারি দল ধন্যবাদ জানালেও বিরোধী জামায়াত সদস্যরা প্রশ্ন তুলেছেন কেন ধন্যবাদ। আলোচনায় অংশ নিয়ে সদস্যরা সংস্কার, দুর্নীতি ও এলাকাভিত্তিক উন্নয়নের বিষয়ে কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বুধবার এ আলোচনা হয়।

জাতীয় সংসদে সরকারদলীয় এমপি মুজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও আরাফাত রহমানকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ এবং খালেদা জিয়াকে মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতির দাবি তুলেছেন। আজ বুধবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ধন্যবাদ প্রস্তাবে এ দাবি জানান তিনি। এছাড়া তারেক রহমানের প্রশংসা করে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি স্মরণ করিয়ে দেন।