
যুক্তরাষ্ট্রের পালে বিশ্বকাপের হাওয়া, মেসির আইকনিক ১০ নম্বর ফ্লাইট!
যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে বিশ্বকাপের হাওয়া লেগেছে। লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা দল বিশ্বকাপ শিরোপা রক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে বিশ্বকাপের হাওয়া লেগেছে। লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা দল বিশ্বকাপ শিরোপা রক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেছে।

সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুটাই ছিল তুরস্কের জন্য দুঃস্বপ্নের মতো। খেলা শুরুর মাত্র ৬৫ সেকেন্ডেই পিছিয়ে পড়ে তারা।

বিশ্বকাপে একবারই দেখা হয়েছে দুদলের। মস্কোতে ২০১৮ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো সেই ম্যাচটি ২-১ গোলে জিতে ফাইনালে ওঠে ক্রোয়াটরা।

সরু একটি গলি। দুই পাশে সাধারণ বাড়িঘর। কোথাও টিনের চালা। কোথাও পুরোনো দেয়াল। মাথার ওপর জট পাকানো বিদ্যুতের তার। প্রথম দেখায় এটিকে চট্টগ্রাম নগরের আর দশটি গলির মতোই মনে হবে। কিন্তু একটু ভেতরে ঢুকতেই দৃশ্য পাল্টে গেল। দেয়ালজুড়ে সবুজ-হলুদ রঙের ছড়াছড়ি।

বিষাদ–রেখাটা মাঝে রেখে দুই পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন দুই কিংবদন্তি— ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লুকা মদরিচ।

বিশ্বকাপের শিরোপা শেষ পর্যন্ত একটি দলই জিতবে। কিন্তু ফুটবলের প্রকৃত জয় তখনই হবে, যখন এই উৎসব আমাদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সহনশীলতা, শৃঙ্খলা এবং উন্নত ক্রীড়া সংস্কৃতির বীজ বপন করবে।

দৈবচয়নের মাধ্যমে প্রতিদিন চার বিজয়ী পাবেন, আর টুর্নামেন্ট শেষে তিনজন মেগা বিজয়ী নির্বাচিত হবেন। অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।

২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচের আগে ফিরে দেখা যাক, কাতার থেকে উত্তর আমেরিকা—এই চার বছরে ব্রাজিল ফুটবলের গল্পটা কেমন ছিল।

আর্জেন্টাইন এই কোচের ফুটবল দর্শনের দুই গুরু—কিংবদন্তি মার্সেলো বিয়েলসা ও হোর্হে সাম্পাওলি। বিয়েলসার প্রতি ভক্তি এতটাই যে নিজের শরীরে তাঁর ট্যাটুও করিয়েছেন।

অপুষ্টিতে ভোগা দিয়াজ শৈশবে এমনই তালপাতার সেপাই ছিলেন যে কোচরা বলতেন, এই ছেলেকে দিয়ে ফুটবল হবে না।

বিশ্ব ফুটবলে ব্রাজিল শুধু একটা দল নয়। একটা বিশ্বাস—হলুদ-সবুজ জার্সি পরলে কিছু একটা ঘটে। সৌন্দর্য ছড়ায়। যে ফুটবল খেলে পেলে ও গারিঞ্চারা পৃথিবীকে থমকে দিতেন।

বিশ্বকাপের প্রথম কয়েক ম্যাচে এই দৃশ্য একেবারেই স্বাভাবিক হয়ে ধরা দিয়েছে। দুই অর্ধে দুবার ম্যাচ থামিয়ে দেওয়া হয় পানি খাওয়ার বিরতি। ফিফার আনুষ্ঠানিক ভাষায়, ‘হাইড্রেশন ব্রেক’।