
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা
নতুন বছর যুদ্ধহীন হোক, মানবতার জয় হোক, পৃথিবীর সব ভালো মানুষগুলো খুব ভালো থাকুন।

নতুন বছর যুদ্ধহীন হোক, মানবতার জয় হোক, পৃথিবীর সব ভালো মানুষগুলো খুব ভালো থাকুন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে বৈচিত্র্যময় সাজে সেজেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। তাঁরা এর মাধ্যমে তুলে ধরেছেন গ্রামবাংলার হারানো ও চেনা ঐতিহ্য।

ষোলো শতকের লাইলি-মজনুর পরিবেশনাশৈলী পনেরো শতকের শাহ মুহম্মদ সগিরের ইউসুফ-জোলেখার মতো ছিল বলেই মনে হয়।

পয়লা বৈশাখ বাঙালি পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে কৃষিভিত্তিক ঐতিহ্য থেকে সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের হাতিয়ারে রূপান্তরিত হয়েছে। মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে ইউনেসকো স্বীকৃতির প্রসঙ্গে। অসাম্প্রদায়িকতা ও সামাজিক ঐক্য রক্ষায় এর তাৎপর্য অপরিসীম।

চৈত্রসংক্রান্তির সন্ধ্যায় বন্ধুর ফোনে পয়লা বৈশাখের দাওয়াত এল, কিন্তু তেলের সংকটে যাওয়া সম্ভব হল না। বন্ধু যুদ্ধপ্রিয় দেশের পরিবর্তে দেশীয় স্বার্থান্বেষীদের ‘অসাধু’ বলে সমালোচনা করলেন, ‘এসব অসাধু মানুষের কারসাজি। এরা সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।’ চৈত্র-বৈশাখের স্মৃতি আর বর্তমান উৎসব নিয়ে হাসিঠাট্টা চলল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদে বৈশাখী শোভাযাত্রার রঙিন প্রস্তুতি চলছে। লোকজ মোটিফ, পটচিত্র ও ঐতিহ্যবাহী কাঠামো তৈরিতে শিক্ষার্থী-শিল্পীরা ব্যস্ত। শোভাযাত্রায় বাংলার ইতিহাস-সংস্কৃতি ফুটে উঠবে রংতুলিতে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশব্যাপী বর্ষবরণের অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে। পয়লা বৈশাখে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বৈশাখী শোভাযাত্রাসহ অনুষ্ঠানে কঠোর নজরদারি থাকবে।

ঋষিজ শিল্পী গোষ্ঠী ‘এসো হে বৈশাখ’ গানে পয়লা বৈশাখ উদযাপন করেছে শিশুপার্কের সামনে। সংগীতশিল্পী সমর বড়ুয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন রফিকুল আলম। এটি ৪৩তম বর্ষবরণ এবং ফকির আলমগীরকে উৎসর্গকৃত।

বাংলা বর্ষবরণের উৎসব চলার মধ্যে নারী হেনস্তার একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি পয়লা বৈশাখের ঘটনা। ফ্যাক্ট চেকে দেখা যায়, তা আসলে ভারতের রাজস্থানের ঘটনা।

‘সম্প্রীতির নববর্ষ’—এই স্লোগান সামনে রেখে আগামী ১১ এপ্রিল নিউইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলা বর্ষবরণের মহাউৎসব