
পশ্চিমবঙ্গের মতুয়ারা কাকে মন দেবে, তীর্থের কাক দুই পক্ষই
ঠাকুরবাড়ির এক পক্ষ ঝুঁকে রয়েছে বিজেপির দিকে। নরেন্দ্র মোদির প্রতি মোহমুক্তি যাঁদের ঘটছে–ঘটছে করেও ঘুচছে না।

ঠাকুরবাড়ির এক পক্ষ ঝুঁকে রয়েছে বিজেপির দিকে। নরেন্দ্র মোদির প্রতি মোহমুক্তি যাঁদের ঘটছে–ঘটছে করেও ঘুচছে না।

মোদি বললেন, ৪ মের পর এই বাংলায় ১৫ বছরের তৃণমূলের দুঃশাসনের হিসাব কড়ায়–গন্ডায় বুঝে নেওয়া হবে।

প্রথম দফার ১৫২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ হাজার ৪৭৮ প্রার্থী। নারী ১৬৭ জন।

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে মাছ হয়ে উঠেছে বিজেপি ও তৃণমূলের প্রধান রাজনৈতিক হাতিয়ার।

৮০০ কর্মীকে গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করল তৃণমূল কংগ্রেস।

আর জি কর মেডিকেল কলেজে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার সেই চিকিৎসকের মা নির্বাচনে।

সমকালীন ভারতে আর কোনো রাজ্যের নির্বাচন এতটা উত্তেজক ছিল না—এবার ২০২৬ সালে যা হলো। পশ্চিমবঙ্গের কোনো নির্বাচনও বাংলাদেশে এত মনোযোগ কাড়েনি অতীতে। এতসব আকর্ষণের কারণ, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ বিজয়কে মর্যাদার লড়াই বানিয়ে ফেলেছিল।

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন শুধু তৃণমূল কংগ্রেস আর ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে সাধারণ রাজনৈতিক লড়াই ছিল না। এই নির্বাচন এক অন্যরকম পরিস্থিতির ছবি দেখিয়েছে। এখানে রাজ্যের নির্বাচিত সরকারের শাসক দল তৃণমূলকে একসঙ্গে দু’দিক থেকে লড়তে হয়েছে। দলটির একদিকে আছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। আর অন্যদিকে রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

অমিত শাহের নেতৃত্বে রোড শো করে শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়বেন। রোড শোর সময় তৃণমূল সমর্থকরা বিক্ষোভ করায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়।

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর রাজ্যজুড়ে সহিংসতা ছড়িয়েছে। সর্বশেষ ৪৮ ঘণ্টায় ২০০টি এফআইআর দায়ের এবং ৪৩৩ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। পুলিশ আরও ১১০০ জনকে আটক করেছে।

বিধানসভাতেও মমতার দলের বিদ্রোহী বিধায়কের সংখ্যা বেড়ে ৬৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

বিজেপির অভ্যন্তরীণ সূত্র জয়ের পেছনে পাঁচটি প্রধান কারণ দেখিয়েছে।