
প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেলের দাম ৯৩ ডলারে উঠে গেছে
বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে বলে সতর্ক করেছেন কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী।

বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে বলে সতর্ক করেছেন কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী।

চীনা যন্ত্রপাতি, বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ, অবকাঠামোগত সামগ্রী থেকে শুরু করে আরও অনেক কিছু কেনে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) এবং ব্রেন্ট ক্রুড অপরিশোধিত তেলের দাম আজ শুক্রবার ৩ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে।

গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা চালানোর সময় থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের জাতীয় গড় দাম গ্যালনপ্রতি ৯০ সেন্ট বেড়েছে।

ঈদের লম্বা ছুটির পর শিল্পকারখানা খুলেছে। ফলে উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহে তেলের চাহিদা বেড়েছে। দ্রুত তেল সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নতি না হলে উৎপাদন ও সরবরাহের ব্যবস্থায় মারাত্মক প্রভাব পড়ার শঙ্কা।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে অপরিশোধিত ভোজ্যতেল আমদানি ব্যাহত হওয়ায় খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১০ টাকা বেড়েছে। রাজধানীর বাজারে এখন লিটারে ১৯৫-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খোলা পাম তেলের দামও একইভাবে উর্ধ্বমুখী হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে ভোগ্যপণ্য, শিল্পের কাঁচামালসহ বিভিন্ন পণ্য স্থানান্তর করে লাইটার জাহাজে নেওয়া হয়।

আগামী জুন মাসে সরবরাহ হবে এমন ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম বৃহস্পতিবার বেড়ে এক পর্যায়ে ব্যারেলপ্রতি ১২৬ দশমিক ৪১ মার্কিন ডলারে উঠেছে, যা ২০২২ সালের মার্চের পর সর্বোচ্চ।

জ্বালানি তেল নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ডলারের দাম বাড়ছে। আমদানিতে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

গত ২৮ জুন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ আহ্বান জানায় বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।

ইরান যুদ্ধ পারস্য উপসাগর দিয়ে তেল ও গ্যাসের অধিকাংশ বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে হাজার হাজার মাইল দূরের দেশগুলো হঠাৎ করেই জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বেশ সংকটে পড়েছে।

দ্রুততম সময়ে এলপিজি আমদানির জন্য ১১টি দেশের সরকারি তেল কোম্পানির কাছে এরই মধ্যে চিঠি পাঠিয়েছে বিপিসি।