
দেশে জ্বালানি তেলের দাম নতুন করে বাড়েনি, কমানোও হয়নি
চলতি মাসেই জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর গত কয়েক দিনে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে।

চলতি মাসেই জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর গত কয়েক দিনে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেছেন, একটা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে, মানুষের একটা ভোগান্তি তৈরি করে তারপর তেলের দাম বৃদ্ধি করা হলো।

রাজবাড়ীতে জ্বালানি তেলের সংকটে অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন বন্ধ রয়েছে। খোলা পাম্পগুলোতে মধ্যরাত থেকে দীর্ঘ লাইন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকে তেল পাচ্ছেন না। জেলা প্রশাসন ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগ করে তদারকি শুরু করেছে।

চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম বলেছেন, জ্বালানি তেলের ঘাটতি কৃত্রিম এবং সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তারেক রহমানের নির্দেশে মজুতদারি ও চোরাচালান রোধে কঠোর ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। সংসদীয় দলে পরিবহন দুর্ঘটনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

ইরান যুদ্ধের প্রভাব এসে পড়েছে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে। জ্বালানি সংকট, ব্যয় বৃদ্ধি ও কমে যাওয়া ক্রয়াদেশে চাপ বাড়ছে শিল্প ও শ্রমবাজারে।

লোডশেডিং ও ডিজেল সংকটে বোরো খেতে সেচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কক্সবাজারের কৃষক

গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিশনের সভায় মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব আমলে নিয়েছে বিইআরসি। পাইকারির সঙ্গে সমন্বয় করে আনুপাতিক হারে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোরও প্রস্তাব করেছে পিডিবি।

‘দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই’—সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের এমন বক্তব্য যথার্থ বলে মন্তব্য করেন জ্বালানীমন্ত্রী।

জ্বালানি তেলের সংকট মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে তীব্রতর হয়েছে, যা সংসারের খরচ বাড়াচ্ছে। নতুন বাজেট, যাতায়াত সাশ্রয়, বিদ্যুৎ-গ্যাস নিয়ন্ত্রণ, খাবার খরচ কমানো ও জরুরি তহবিল গড়ে তোলাই এর প্রতিকার। আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে চাপ সামাল দিন।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র যে যুদ্ধ বাধিয়েছে, তাতে জ্বালানি তেলের সংকট তৈরি হয়ে দেশটির মিত্রদেরই বেশি ভোগাচ্ছে।

কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম লাফিয়ে ১২০ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।

ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল নিয়ে যে সংকট তৈরি হয়, যুদ্ধবিরতি ও পরবর্তী পরিস্থিতিতেও তার আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি হয়নি।