
জ্বালানিসংকট নিরসনসহ চার দফা দাবিতে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের বিক্ষোভ
জ্বালানিসংকট নিরসন ও রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের বিচারসহ চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট।

জ্বালানিসংকট নিরসন ও রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের বিচারসহ চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট।

জ্বালানিসংকটে অফিস-ব্যাংকের সময়সূচি ছোট হয়েছে, শিক্ষায় সপ্তাহে ছয় দিনের জোড়-বিজোড় ভিত্তিতে ব্লেন্ডেড লার্নিং চালু হতে পারে। প্রযুক্তি অবকাঠামো, ডিজিটাল বৈষম্য ও প্রশিক্ষণের ঘাটতি চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। সরকারের উদ্যোগ যৌক্তিক হলেও বাস্তবায়নের জন্য সতর্কতা জরুরি।

হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিতে মালয়েশিয়ার জাহাজকে অনুমতি দিয়েছে ইরান, জ্বালানি সাশ্রয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে কুয়ালালামপুর।

ফুটপাতের খাবার বিক্রেতারা বলছেন, বিক্রির অবস্থা সুবিধার নয়। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে লাভ কমেছে।

রাজধানীর খুচরা বাজারে বেশ কিছুদিন ধরেই সবজি, মুরগি ও ডিমের দামে বাড়তি। এর প্রভাব পড়েছে সুমী বেগমের মতো সীমিত আয়ের মানুষের ওপর।

‘ছাতার অবস্থাখানা জরিমানা-দেওয়া/মাইনের মতো,/ বহু ছিদ্র তার’—রবি ঠাকুরের ‘বাঁশি’ কবিতার হরিপদ কেরানির মতোই তাঁর ছাতাখানার দশা। তাই খুব বেশি চড়া রোদ না হলে মেলে ধরেন না।

হরমুজ প্রণালীতে চলমান অবরোধ বিশ্ব অর্থনীতিকে এক গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এলএনজি এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় এর অচলাবস্থা সরাসরি জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। তেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইনে ব্যাঘাত বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে তুলছে। এর পাশাপাশি আধুনিক যুদ্ধ কৌশলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ড্রোন প্রযুক্তি এবং অ্যালগরিদম-নির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এই সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধু সামরিক সংঘাত নয়, বরং অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত আধিপত্যের লড়াই। হরমুজ সংকট দীর্ঘায়িত হলে খাদ্য নিরাপত্তা, শিল্প উৎপাদন এবং বৈশ্বিক বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। ফলে এই সংকটের দ্রুত সমাধান এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।