
স্লিপম্যাক্সিং কী, পরিমিত ঘুমের জন্য কীভাবে এটি মেনে চলবেন
জীবনযাত্রার এই পরিবর্তন এখন বিশ্বজুড়ে একটি বড় স্বাস্থ্য আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। যারা নিয়মিত স্লিপম্যাক্সিং করেন, তাঁরা কিছু কঠোর ও বিজ্ঞানসম্মত নিয়ম মেনে চলেন।

জীবনযাত্রার এই পরিবর্তন এখন বিশ্বজুড়ে একটি বড় স্বাস্থ্য আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। যারা নিয়মিত স্লিপম্যাক্সিং করেন, তাঁরা কিছু কঠোর ও বিজ্ঞানসম্মত নিয়ম মেনে চলেন।

এই সময়ে অনেক বেশি খাওয়া হয়ে যাওয়ার কারণে পেট ভারী লাগা, অস্বস্তি, গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য, শরীর ফুলে যাওয়া, ঘুম ঘুম ভাব অনুভূত হতে থাকে।

২০২৩ সালের ১১ জুন। গভীর রাত। গহিন বনে গুলির শব্দে ঘুম ভাঙে হাসিনা বেগমের।

ভার্সিটি-পরবর্তী সময়টাতে আমরা বন্ধুরা খুব টেনশন করতাম। কী করব, কোথায় জব হবে, বিসিএস দেব, নাকি অন্য কিছু ট্রাই করব! চিন্তায় রাতে ঘুম হতো না। শুধু আমাদের দুই বন্ধুকে দেখতাম নিশ্চিন্তে ঘুরতে।

ফেরদৌসী রহমান বললেন, দুই বছর কি আড়াই বছর হবে আমার। ঘুম পেলে আমি মায়ের কাছে গিয়ে ‘আঁখি পাতা ঘুমে জড়ায়ে আসে’ গানটা গাইতাম।

সুন্দরবনের গভীর থেকে একের পর এক গুলির শব্দ ভেসে আসছিল। রাত তখন সাড়ে ১০টা। শব্দে ঘুম ভেঙে যায় খুলনার কয়রা উপজেলার বনপাড়ের মানুষের।

দৈনন্দিন জীবনে একটি সাধারণ কিন্তু অস্বস্তিকর শারীরিক সমস্যা হলো গোড়ালি ব্যথা। সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথম পা ফেলার সময় সুই ফোটার মতো তীব্র ব্যথা হয়।

২৭ এপ্রিল ২০২৬। ভোরে ঘুম থেকে উঠে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম বহুল পরিকল্পিত সামার ভ্যাকেশন কাটাতে যাওয়ার জন্য—অন্য রকম একটা অনুভূতি নিয়ে। আমি, আমার মেয়ে ও তার মায়ের মুখে এক অন্য রকম আনন্দে বিমোহিত সুখ।

বল মাঠে গড়াবে রাত দশটায়। অথচ এশার আজানের পর থেকে আনোয়ার চেয়ারম্যানের বাড়ির উঠোনে মানুষ গিজগিজ করছে। এই গাঁয়ে সন্ধ্যার আগেই মানুষের নাকের ডাক শোনা যায়। অথচ আজ রীতিমতো চোখে পানি দিয়ে ছেলে–বুড়োরা ঘুম তাড়িয়েছে। উঠোনজুড়ে খড়ের বিছানায় ঝাঁকে ঝাঁকে মশার শুঁড়ে বিদ্ধ হতে হতেও মানুষ মন্ত্রমুগ্ধের মতো চেয়ে আছে ১৪ ইঞ্চি টেলিভিশন সেটের দিকে।

শহরের এক উঁচু স্মার্ট টাওয়ারের ৪৩ তলায় আমাদের বসবাস। এখানকার প্রায় সব নির্জীব বস্তুই তার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে আমাদের আরাম–আয়েশের জন্যে। আমার ঘুম ভেঙে যাওয়ায় ঘরের দেয়ালের স্বচ্ছতা ধীরে ধীরে বেড়ে যাচ্ছে। ভোরের সূর্যের মোলায়েম আলো অল্প অল্প করে ঘরে ঢুকতে শুরু করেছে।

চট্টগ্রাম থেকে আখাউড়া যাওয়ার জন্য বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট কেটেছিলেন পারভিন আক্তার। ট্রেনটি আজ বুধবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ছাড়ার কথা ছিল। তাই ভোরে ঘুম থেকে উঠেই ব্যাগ গোছান চল্লিশোর্ধ্ব এই নারী। সকাল সাতটায় হালিশহরের বউবাজার এলাকার বাসা থেকে সন্তানদের নিয়ে বের হন। আধা ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে যান চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে। কিন্তু স্টেশনে এসে জানতে পারেন, ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ে ছাড়ছে না। প্রায় চার ঘণ্টা দেরি হবে।

মা রাজিয়া বেগমের চোখে ঘুম নেই, মুখে ক্লান্তির ছাপ। আগুনে পুড়ে গেছে মাথা গোঁজার একমাত্র ঠাঁই।