
নিরাপু অথবা ছাতিম ফুলের সুবাস
সূর্যের আলো পড়ায় সে পাতা কী সুন্দর ঝিকমিক করছে। আমার কানে ভেসে আসছে নীরাপুর রিনিঝিনি হাসির শব্দ। বুকের ভেতরে ঠিক কে ঢুকে যাচ্ছে, বুঝতে পারছি না—নীরাপু? না–কি ছাতিম ফুলের সুবাস?

সূর্যের আলো পড়ায় সে পাতা কী সুন্দর ঝিকমিক করছে। আমার কানে ভেসে আসছে নীরাপুর রিনিঝিনি হাসির শব্দ। বুকের ভেতরে ঠিক কে ঢুকে যাচ্ছে, বুঝতে পারছি না—নীরাপু? না–কি ছাতিম ফুলের সুবাস?

সক্রেটিস চোখ তুলে আকাশের দিকে তাকালেন, যেন অদৃশ্য কোনো ভোরের আলো দেখতে পাচ্ছেন, ‘তোমরা ভয় পেয়ো না।

নমনীয় মিহি গলার আওয়াজ। দরজা খুলে দিলাম। হকচকিয়ে গেছি। বিস্ময়ে আমার ভেতর অবশ ভাব চলে এসেছে। হতভম্ব চোখে দেখলাম সামনে হিম দাঁড়িয়ে আছে।

সাবরিনা বুঝতে পারে না নাদিয়ার এমন ইমম্যাচিউর কথাবার্তার কারণটা কী। দিন দিন ওর বুদ্ধিশুদ্ধি কমছে নাকি?

ধাতব না হলেও শক্ত কিছু একটা মাটির গর্ভে সমাহিত ভেবে, অথবা তার মনে গুপ্তধন না হলেও দামি কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশা নিয়ে সে খনন অব্যাহত রাখে।

এর পরের দিন, লাঞ্চের পর তাহমিনা বিশ্বাসযোগ্য রফিককে যথেষ্ট আপ্যায়ন করেছিল। বলেছিল, ‘আজ কবিতাটবিতা হবে না, কথা আছে তোমার সঙ্গে।’

আবদুল গফুর একাই শুধু গায়ে বাতাস লাগিয়ে ঘুরে বেড়ায়, বন্ধুদের আড্ডায় চুপচাপ বসে থাকে, আর কী যেন ভাবে। কী ভাবে তার বন্ধুরা জানে না।

কিন্তু মৃত্যু কি আসলেই হয়েছে আমার? হাহাকার, দুর্গন্ধ, তীব্র অস্বস্তি ছাপিয়ে শুধু সত্যটা জানতে ইচ্ছা করে।

‘এটা তুই কী করলি রে মামা?’ অমিয় অবাক হয়ে বলল, ‘কী করলাম?’ ‘তোর মায়ের বিয়ের অ্যানাউন্সমেন্টে তন্বী এল কোত্থেকে?’

প্রতিবছর আমরা এক মাস ইউরোপ দেখি, ট্রেন থেকে কোনো অচেনা জায়গায় নেমে পড়ি। সঙ্গে দুটো ব্যাকপ্যাক ছাড়া কিছুই থাকে না।

পড়ে শোনাই, ভাই তো পড়তে জানে না! আমি বলি, ভাই, আপনের বউ তো উকিল নোটিশ পাঠাইছে, আপনের সাথে আর থাকবে না!

‘যদি জানতে পারতিস সেদিন আমার চোখের কথা কে জানিয়েছিল মিলিটারিকে, তুই কী করতিস?’