
গণমাধ্যম সংস্কারে সব পক্ষকে নিয়ে এগোতে চায় সরকার: তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম সংস্কারে সরকার সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে চায় বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

গণমাধ্যম সংস্কারে সরকার সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে চায় বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হামলা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সংবাদ সংগ্রহের অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী।

বাংলাদেশের গণমাধ্যমের সবচেয়ে বড় সংকট নিয়ন্ত্রণের অভাব নয়, বরং সংকট হলো আস্থা, স্বচ্ছতা, পেশাগত নিরাপত্তা এবং জবাবদিহিমূলক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর অভাব।

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গণমাধ্যমের ভূমিকা ও বর্তমান চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

সাংবাদিকদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার, জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা বলতে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বহু মতের সহাবস্থানের প্রশ্ন আসে।

ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিতে সংঘর্ষের ঘটনায় কিছু গণমাধ্যমের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

বাংলাদেশে সাংবাদিকদের ওপর দমন–পীড়নের চক্র ভেঙে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়ে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)।

মোদি দুই দিনের নেদারল্যান্ডস সফরে একাধিক বৈঠক ও কর্মসূচিতে অংশ নেন।

ডয়চে ভেলের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা, মতবিনিময় ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মালদ্বীপে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জুর ব্যক্তিগত অভিযোগ নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রচারের জন্য দুই সাংবাদিককে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো এতে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং মুক্তির দাবি তুলেছে। সরকার এটাকে গণমাধ্যমের ওপর হামলা বলে অস্বীকার করেছে।

সাংবাদিকতা এখন কী সংকটে পড়েছে, এর থেকে বের হওয়ার উপায় কী—সেসব নিয়ে কথা বলেছেন জার্মান সম্প্রচারমাধ্যম ডয়চে ভেলের মহাপরিচালক বারবারা মাসিং।