
ক্ষমা করার পদ্ধতি শেখায় কোরআনের ১০ আয়াত
অনেকেই হয়তো আমাদের সঙ্গে রূঢ় আচরণ করেন বা কষ্ট দেন। কষ্ট মনে পুষে রেখে প্রতিহিংসা পরায়ণ হওয়ার চেয়ে ক্ষমা করে দেওয়া অনেক বেশি সম্মানের।

অনেকেই হয়তো আমাদের সঙ্গে রূঢ় আচরণ করেন বা কষ্ট দেন। কষ্ট মনে পুষে রেখে প্রতিহিংসা পরায়ণ হওয়ার চেয়ে ক্ষমা করে দেওয়া অনেক বেশি সম্মানের।

সম্পদের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। কোরআনে সম্পদের উপার্জন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

কখনো বিপদ আমাদের চারপাশ অন্ধকার করে দেয়। এই কঠিন সময়ে মানুষ যখন দিশেহারা হয়ে পড়ে, তখন পবিত্র কোরআনের বাণী হতে পারে মানসিক শক্তির উৎস।

কোরআনের কারুনের কাহিনী থেকে শিক্ষা নিয়ে আদর্শবাদী সংগঠনের অভ্যন্তরীণ ফিতনা এবং পতন রোধের উপায় তুলে ধরা হয়েছে। কারুনের অহংকার, সম্পদের মোহ এবং দলের বিভাজনের ঘটনা বিস্তারিত বর্ণিত। ফেরাউন, হামান ও কারুনের চক্রের প্রতীকী অর্থও আলোচনা করা হয়েছে।

পবিত্র কোরআনে ‘আখসারিনা আমালা’ বা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত আমলকারীদের পরিচয় দেওয়া হয়েছে। সারাজীবনের খাটুনি শেষ বিচারে পণ্ড যায় যদি ইখলাস ও সুন্নাহ না থাকে। ইমাম আল-মাওয়ার্দি ও তাবারির ব্যাখ্যায় এদের পাঁচটি গোষ্ঠী উল্লেখ করেছেন।

পবিত্র কুরআনের সুরা নাসর মক্কা বিজয়ের সুসংবাদ দিয়ে ইসলামের প্রসার ঘটায় এবং নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর বিদায়ের ইঙ্গিত বহন করে। এতে তসবিহ, ইস্তিগফারের নির্দেশ এবং কৃতজ্ঞতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বিজয়ের মুহূর্তে বিনয় ও শুকরিয়ার বার্তা এই সুরার মূল শিক্ষা।

ওহি নাজিলের সময় নবীজি (সা.) কঠোর পরীক্ষার মুখোমুখি হতেন, শীতকালেও তাঁর কপালে ঘাম জমত। ২৩ বছর ধরে ক্রমান্বয়ে অবতীর্ণ কুরআনের এই রহস্য ও তাৎপর্য বোঝায় নবীর উম্মিতা এবং মুজাজার কথা।

কবরের আজাব ভয়াবহ। তবে দয়ালু আল্লাহ তাঁর বান্দাদের একা ছেড়ে দেননি। এমন কিছু আমল শিখিয়ে দিয়েছেন, যা অন্ধকার কবরে আলোকবর্তিকা হয়ে দাঁড়াবে।

দার্শনিক প্রশ্ন অনেক সময় কেবল প্রশ্নের খাতিরেই করা হয়, কিন্তু কোরআনের প্রশ্ন মানুষকে এক গভীর জীবনবোধ ও নৈতিক দায়বদ্ধতার দিকে নিয়ে যায়।

এই বিশেষ উপহারটি হলো সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (২৮৫-২৮৬)। এই দুই আয়াত কেবল কিছু শব্দের সমষ্টি নয়, বরং এটি আরশ থেকে আসা নুর।

যখন মানুষ জানতে পারে যে এই তুচ্ছ প্রাণিটিরও তার মতো একটি নির্দিষ্ট সামাজিক বা প্রজাতিগত পরিচয় আছে, তখন তাদের প্রতি হৃদয়ে সহমর্মিতা জাগ্রত হয়।

যখন একটি জাতি তার শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ড হিসেবে বংশ বা বর্ণকে বাদ দিয়ে ‘তাকওয়া’ বা নৈতিকতাকে গ্রহণ করে, তখন সেখানে সাম্প্রদায়িক ফেতনার কোনো স্থান থাকে না।