
পুণ্যবানরা কেন প্রভুর সান্নিধ্যে যেতে ব্যাকুল থাকেন
ব্যাকুলতা অর্জনের জন্য প্রথম শর্ত আল্লাহকে চেনা, যাকে বলে ‘মারেফাত’। যখন মানুষের অন্তর্দৃষ্টি প্রসারিত হয়, তখন সে বিপদের মাঝেও আল্লাহর দান দেখতে পায়।

ব্যাকুলতা অর্জনের জন্য প্রথম শর্ত আল্লাহকে চেনা, যাকে বলে ‘মারেফাত’। যখন মানুষের অন্তর্দৃষ্টি প্রসারিত হয়, তখন সে বিপদের মাঝেও আল্লাহর দান দেখতে পায়।

অনেকেই মনে করেন, মুত্তাকি মানেই এমন ব্যক্তি যার কখনো কোনো গুনাহ হয় না; অথচ কোরআনের শিক্ষা হলো, মুত্তাকি মানেই নিষ্পাপ মানুষ নয়।

ব্যক্তিগত জীবন, সামাজিক বাস্তবতা কিংবা অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই—সবক্ষেত্রেই সফলতা অর্জনের জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হয় এবং কিছু প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে চলতে হয়।

আমাদের উচিত, প্রতি ওয়াক্তের নামাজে মৃত আত্মীয়-স্বজনের জন্য দোয়া করা। তাতে আল্লাহর করুণায় তাদের কবরকে জান্নাতের বাগানে পরিণত করতে পারে।

সময়ের সঙ্গে এগুলো বদলে যায়, কখনো হঠাৎ ভেঙে পড়ে। ফলে এসবের ওপর নিজের পরিচয় দাঁড় করালে ভেতরে অস্থিরতা ও শূন্যতা তৈরি হয়।

অটল ও কঠিন পাহাড় যদি আল্লাহর কালামের ভয়ে প্রকম্পিত হতে পারে, তবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষের হৃদয় কেন বিগলিত হবে না?

কেন কিছু মানুষের মধ্যে এই ধারণা তৈরি হলো যে ইসলাম ছাড়া অন্য কিছুকে দীন বলা যাবে না? এর পেছনে মূলত তিনটি প্রধান কারণ কাজ করে।

কোরআন তেলাওয়াতে সঠিক জায়গায় থামতে ওয়াকফ চিহ্ন চেনা জরুরি, নচেৎ অর্থ বদলে যেতে পারে। এখানে প্রধান ৭টি বিরতি চিহ্ন ও তাদের নিয়ম তুলে ধরা হয়েছে। শুদ্ধ পাঠের জন্য এগুলো আয়ত্ত করুন।

রোজাদার ব্যক্তির কাজ হলো, কেবল বড় গুনাহ নয়, নিজেকে সব ধরনের গুনাহ থেকে দূরে রাখবেন। তাহলে তিনি আল্লাহর রহমত, করুণা ও ক্ষমা লাভ করবেন।

বেপরোয়া গাড়ি চালানো বা নেশাদ্রব্য গ্রহণের মাধ্যমে নিজের শরীরকে ঝুঁকির মুখে ফেলা এই আমানতের খেয়ানত। সুষম খাদ্যের মাধ্যমে শরীরকে রোগমুক্ত রাখা আমানতদারির অংশ।

এই বিশেষ উপহারটি হলো সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (২৮৫-২৮৬)। এই দুই আয়াত কেবল কিছু শব্দের সমষ্টি নয়, বরং এটি আরশ থেকে আসা নুর।

পিতার ইন্তেকালের পর নিশাপুরে আগমন করেন। তাঁর শৈশব ও যৌবন এমন এক যুগে অতিবাহিত হয়, যখন আব্বাসি খেলাফত রাজনৈতিকভাবে দুর্বল, অথচ বুদ্ধিবৃত্তিক অস্থিরতা চরমে।