
১০৮ নম্বর মৌল হ্যাসিয়াম আবিষ্কারের গল্প
জার্মানির বিজ্ঞানী পিটার আর্মব্রাস্টার এবং গটফ্রিড মুনজেনবার্গের নেতৃত্বে জিএসআইয়ের একদল বিজ্ঞানী প্রথমবারের মতো আবিষ্কার করেন ১০৮ নম্বর মৌল হ্যাসিয়াম।

জার্মানির বিজ্ঞানী পিটার আর্মব্রাস্টার এবং গটফ্রিড মুনজেনবার্গের নেতৃত্বে জিএসআইয়ের একদল বিজ্ঞানী প্রথমবারের মতো আবিষ্কার করেন ১০৮ নম্বর মৌল হ্যাসিয়াম।

সম্প্রতি ওই তরুণীর নিয়োগকর্তা আবিষ্কার করেন, ওই তরুণী কাজের সময় অফিসে চার–পাঁচ ঘণ্টা ঘুমিয়ে কাটান।

জাপানের হায়াবুসা-২ মিশনের রিউগু গ্রহাণুর ধুলোয় ডিএনএ-আরএনএ গঠনকারী পাঁচটি নাইট্রোজেন বেস আবিষ্কৃত হয়েছে। এই আবিষ্কার পৃথিবীতে জীবনের উৎপত্তি মহাকাশ থেকে হতে পারে এমন সম্ভাবনাকে শক্তিশালী করে। নেচার অ্যাস্ট্রোনমিতে প্রকাশিত গবেষণায় এসব উপাদানের অস্তিত্ব নিশ্চিত হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা ‘ভাইটাল-আইডি’ প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছেন, যা মাথার খুলির সূক্ষ্ম কম্পনে লগইন করে। এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটিতে এটি পাসওয়ার্ডের ঝামেলা দূর করবে। পরীক্ষায় ৯৫% সঠিকতা পাওয়া গেছে।

নাসার আর্টেমিস-২ মিশনে চার নভোচারী ১ এপ্রিল চাঁদ প্রদক্ষিণ করতে যাচ্ছেন, অবতরণ ছাড়াই। ১৯৭২ সালের পর এটি প্রথম মানববাহী চন্দ্রযাত্রা। চন্দ্রযান-১-এর আবিষ্কার চাঁদের পানি ও সম্পদের আগ্রহ জাগিয়েছে।

হাঙ্গেরির বিজ্ঞানী তামাস বোরকোভিটস মহাকাশে সবচেয়ে ঘন চার নক্ষত্রযুক্ত নক্ষত্রমণ্ডলী আবিষ্কার করেছেন। তিনটি নক্ষত্র বুধের কক্ষপথের চেয়ে কম জায়গায় অবস্থিত। এটি নক্ষত্রের জন্ম, টিকে থাকা ও মিলনের বিরল উদাহরণ.

বিজ্ঞানের ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে যখন নতুন আবিষ্কার কেবল গবেষণাগারের সাফল্যের গল্প হয়ে থাকে না, হয়ে যায় জাতীয় মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের কারণ।

কয়েক বছর পরে লাতিন আমেরিকায় এসে আমি আবার পাঠের জগতে ফিরি। এখানে এসে আমি সাহিত্যের নতুন ভূগোল আবিষ্কার করি।

চিকিৎসক লেনেক স্টেথোস্কোপ আবিষ্কার করেন।

কম জ্বালানি খরচ করে পৃথিবী থেকে চাঁদে যাওয়ার নতুন পথ আবিষ্কারের দাবি করেছেন একদল বিজ্ঞানী।

শ্রীলঙ্কার গল ফোর্টে স্যুভেনির দোকানে হাতির মল থেকে তৈরি নোটবুক দেখে বিস্মিত হলেন সাংবাদিক। থুসিতা রানাসিংগের উদ্ভাবিত এই পরিবেশবান্ধব প্রক্রিয়ায় গাছ কাটা এড়ানো যায় এবং বর্জ্য থেকে সম্পদ তৈরি হয়। এখন ৩০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে এই পণ্য।

পর্যায় সারণির ১০৯ নম্বর কৃত্রিম মৌল মাইটনেরিয়াম ১৯৮২ সালে ডারমস্টাডে আবিষ্কৃত হয়। লিজ মাইটনারের সম্মানে নামকরণকৃত এই অতিভারী মৌল নিউক্লীয় পদার্থবিজ্ঞানের সীমানা বোঝাতে গুরুত্বপূর্ণ। এর আইসোটোপগুলো অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী।