
ঝকঝকে মসজিদ, শূন্য মিম্বর: ব্রিটেনে ইমামসংকটের নেপথ্যে
সম্প্রতি ‘ড্যাজলিং ডন’-এ প্রকাশিত এক গবেষণা ও সমসাময়িক বিভিন্ন সমীক্ষায় ব্রিটেনের ‘ইমাম সংকট’ এবং পেছনের গভীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক ফাটলগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

সম্প্রতি ‘ড্যাজলিং ডন’-এ প্রকাশিত এক গবেষণা ও সমসাময়িক বিভিন্ন সমীক্ষায় ব্রিটেনের ‘ইমাম সংকট’ এবং পেছনের গভীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক ফাটলগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা মেটাতে ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার সহায়তা চেয়েছেন।

ইউরোপের বড় বড় অর্থনীতির দেশ—জার্মানি, ফ্রান্স কিংবা ইতালি—যেখানে মন্দা, মূল্যস্ফীতি ও ধীর প্রবৃদ্ধির চাপে নানামুখী সংকট মোকাবিলা করছে, সেখানে তুলনামূলক ছোট দেশ আয়ারল্যান্ড যেন ভিন্ন এক অর্থনৈতিক ছন্দে এগিয়ে চলেছে।

এবি পার্টির মতে, নতুন বাজেট বিদ্যমান সংকট দীর্ঘায়িত করবে এবং জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

পুরোনো সংকট কাটেনি, সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ। মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, খেলাপি ঋণ ও জ্বালানিঝুঁকির মধ্যে নতুন সরকার কোন অগ্রাধিকার আগে দেবে, সেই প্রশ্নই এখন বড়।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৬৯ ডলার। জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, জ্বালানির দাম নিয়ে শীঘ্রই সিদ্ধান্ত হবে এবং পুঁজিবাজারে বড় পরিবর্তন আসছে। তিনি মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে তেল-গ্যাস আমদানির চাপ এবং জ্বালানি নিরাপত্তার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় আশা প্রকাশ করেছেন।

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, ক্ষমতার পটপরিবর্তন, অর্থনৈতিক সংকটসহ নানা কারণে চার-পাঁচ বছর ধরে ব্যবসা–বাণিজ্যে শ্লথগতি আছে। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের ঘাটতির সমস্যা বিরাজমান।

ইরান যুদ্ধে নিজের অদূরদর্শিতার ফলে ফাঁদে আটকে পড়েছেন ট্রাম্প। ইরানের তরুণ প্রজন্ম শাসকদের মৌলবাদ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং অর্থনৈতিক সংকটে জনক্ষোভ তুঙ্গে। ট্রাম্পের সামনে এখন কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার চ্যালেঞ্জ।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট গভীর অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে পেশ হতে যাচ্ছে। স্পষ্ট দর্শন, জনকল্যাণমুখী নীতি ও সামষ্টিক ভারসাম্যের ওপর জোর দিয়ে বাজেট গড়ে উঠুক। শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জোরালো।

জাতিসংঘের ইউএন-ওএইচআরএলএলএস প্রতিবেদনে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে দুর্বলতা চিহ্নিত হয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে উত্তরণ ঝুঁকিপূর্ণ। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, বর্তমানে উত্তরণের সুযোগ নেই।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটে এলডিসি থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। আগের সরকারের দুরবস্থা কাটিয়ে উঠলে চিন্তা করা হবে। বিএনপি সরকার ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘকে সময়সীমা পেছানোর চিঠি পাঠিয়েছে।