
পুঁজিবাজার উন্নয়নে যা হতে পারে নীতিগত রূপরেখা
পুঁজিবাজারকে দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির অন্যতম প্রধান আর্থিক খাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

পুঁজিবাজারকে দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির অন্যতম প্রধান আর্থিক খাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

অস্ট্রেলিয়ার অবকাঠামো ইতিহাসে এক বিস্ময়কর অধ্যায় যুক্ত হতে যাচ্ছে।

ট্রাস্ট ব্যাংক ও গ্রামীণফোন ডিজিটাল রূপান্তর কার্যক্রমে যৌথভাবে কাজ করবে। সে অনুযায়ী পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে প্রযুক্তিগত অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং গ্রাহকদের জন্য মূল্য সংযোজনমূলক সেবার মানোন্নয়ন করা হবে।

জাতীয় মহাসড়কগুলো দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। এই সড়কে সামান্য অব্যবস্থাপনাও বড় বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

বাস্তবে গ্রিনল্যান্ডে বড় ধরনের কোনো চীনা বিনিয়োগ নেই। অবকাঠামো কিংবা খনিশিল্পে চীনা কোম্পানিগুলোর কার্যকর অংশগ্রহণ দেখা যায়নি।

এআই-দার বিশেষত্ব কেবল ভবনের নকশাতেই সীমাবদ্ধ নয়। এর আগে এ রোবট চিত্রকর্ম তৈরিসহ বিভিন্ন দক্ষতা দেখিয়েছে। এখন সে শিল্পকলা ছাড়িয়ে মানুষের বসবাসের ভৌত অবকাঠামো তৈরির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

অভিযানের নামে কিছু অবকাঠামো ভেঙে ছবি তুলে চলে যাওয়ার নজির রয়েছে। ফলে ভাঙা স্থাপনা আবার গড়ে উঠেছে।

নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম হবে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’। কলেজগুলোর নিজস্ব পরিচয়, অবকাঠামো ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি অক্ষুণ্ন থাকবে।

গ্রামীণ বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বাজারটি নির্মিত হয়। ২০২৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর নির্মাণকাজ শেষ হয়। কিন্তু দুই বছর পার হলেও বাজারটি এখনো চালু হয়নি।

বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন ও ক্রমবর্ধমান নগরায়ণের এ সময়ে নিরাপদ বিদ্যুৎ সঞ্চালনের গুরুত্ব অপরিসীম।

বুদ্ধিমান প্রযুক্তি, যা বিদ্যুতের চাহিদার পূর্বাভাস দিতে পারবে, অপচয় কমাবে এবং বড় কোনো দুর্ঘটনার আগেই অবকাঠামোর ত্রুটি শনাক্ত করতে সক্ষম হবে।

প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ার বিক্রির চাপ, চিপের মূল্যবৃদ্ধি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অবকাঠামোয় বিপুল বিনিয়োগ নিয়ে উদ্বেগের কারণে আজ এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলোয় বড় পতন হয়েছে।