
চা–বাগান ঘুরে পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন প্রীতম দাশ
চা-বাগান ও গ্রামের আঁকাবাঁকা পথ ঘুরে ঘুরে পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনের প্রার্থী প্রীতম দাশ।

চা-বাগান ও গ্রামের আঁকাবাঁকা পথ ঘুরে ঘুরে পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনের প্রার্থী প্রীতম দাশ।

প্রশাসন উদ্যোগী হয়ে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ইতিহাস-ঐতিহ্যের সংশ্লিষ্ট নানা স্মারক সংগ্রহ করে।

শিশির মনির বলেন, ‘আমি নিজে স্বাক্ষর করে চিঠি দিয়েছি। আমি মনে করি, তাঁরা সমাবেশে উপস্থিত থেকে নিজেদের পরিকল্পনা, দিরাই-শাল্লার জন্য তাঁরা কী করতে চান, সেটি তুলে ধরবেন।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মৌলভীবাজার জেলার একমাত্র নারী প্রার্থী সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী।

একসময় রক্তদানে অনেকের মধ্যে ভীতি কাজ করত। এখন সচেতনতা বেড়েছে। ব্যতিক্রম নয় সুনামগঞ্জও। বর্তমানে জেলায় কাজ করা সংগঠনগুলোর মধ্যে এগিয়ে আছে ‘ব্লাড লিংক’।

সুনামগঞ্জে সংসদীয় আসন পাঁচটি। দুটিতে বিএনপির দুজন নেতা মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দল তাঁদের বহিষ্কার করেছে।

চা-শ্রমিক ভীম রুদ্রপাল ব্রিটিশ আমলে জীবিকার তাগিদে পরিবার নিয়ে এ দেশে আসেন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের আগে তিনি মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বিনন্দপুরে জমি কেনেন। সেই থেকে পরিবারের সবাই একান্নে থাকা শুরু করেন। এখনো সেই ধারাটি টিকে আছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় সুনামগঞ্জের মধ্যনগর থানার এক পুলিশ সদস্যসহ গ্রেপ্তার দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণের ঘটনায় করা মামলায় আন্তর্জাতিক সালিসি আদালতের রায় শিগগিরই।

ভোট দিতে চান অধিকাংশ ভোটার। ১০ আসন শরিকদের ছেড়ে দিয়েছে জামায়াত, একটি উন্মুক্ত। অর্থাৎ ৮ আসনে জামায়াতের দলীয় প্রার্থী রয়েছে।

হবিগঞ্জের প্রান্তিক এলাকায় নারীরা সংসারের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসা, অনলাইন উদ্যোগ ও গুচ্ছ উদ্যোগের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। ব্যবসা, চাকরি, প্রবাসী আয়, এসএমই ব্যবসা ও নানা সেবা খাতে যুক্ত হচ্ছেন। এর মাধ্যমে জেলার অর্থনীতিতে পরিবর্তন আসছে।

রেজাউল করিম খন্দকারের বাড়িটির অবস্থান মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী এক প্রান্তে, বড়লেখা উপজেলার সরিয়া গ্রামে। বাড়ি এখন দেশি-বিদেশি দুর্লভ সব ফল-ফুলের এক মায়াবী উদ্যান হয়ে উঠেছে।