
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন আসনেই বিএনপির জয়, গণভোটে ‘না’
তিন জেলাতেই গণভোটে ‘না’ পড়েছে বেশি। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনভর ভোট গ্রহণ শেষে গভীর রাতে বেসরকারিভাবে এ ফল ঘোষণা করেন জেলার সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

তিন জেলাতেই গণভোটে ‘না’ পড়েছে বেশি। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনভর ভোট গ্রহণ শেষে গভীর রাতে বেসরকারিভাবে এ ফল ঘোষণা করেন জেলার সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

ঢাকার ২০ আসনের বেসরকারি ফলে বিএনপি ১৩, জামায়াত ৬ ও এনসিপি ১টি আসনে জয়ী।

আজ শুক্রবার এক বার্তায় ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস এ অভিনন্দন জানিয়েছে।

প্রাথমিক ফল বিশ্লেষণ বলছে, আলোচনায় থাকা প্রার্থীদের বেশির ভাগই সুবিধা করতে পারেননি। আলোচনায় তুঙ্গে থেকেও হেরেছেন অনেকে। আবার কেউ কেউ জিতেছেনও।

ভোট তাই আর কেবল রাজনৈতিক পরিভাষা নয়—এটি নাগরিক আত্মসম্মানের ভাষা। মানুষ এবার উপলব্ধি করেছে, ভোট দেওয়া মানে কেবল প্রতিনিধি নির্বাচন নয়; এটি নিজের অস্তিত্ব, মত ও ভবিষ্যতের ওপর নিজের স্বাক্ষর রাখা। এবারের নির্বাচন তাই মানুষকে শুধু ভোটার বানায়নি; তাদের আরও সচেতন, আত্মমর্যাদাবান ও সক্রিয় নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।

আল–জাজিরা খবরে বলেছে, ‘জামায়াত ফলাফল প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।’

হবিগঞ্জ জেলার চারটি সংসদীয় আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন এসব আসনের বেসরকারি চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন।

নেত্রকোনার পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। এ ছাড়া একটি আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী

ময়মনসিংহের ১১টি আসনের মধ্যে আটটিতে বিএনপি এবং একটি করে আসনে জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জয় পেয়েছে।

ঢাকা-১৬ আসনের ভোটে বেসরকারি ফলে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেন।

প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হকের চেয়ে ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।

নির্বাচিত প্রার্থীরা হলেন বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া, নজরুল ইসলাম আজাদ, আজহারুল ইসলাম, আবুল কালাম এবং এনসিপির আবদুল্লাহ আল আমিন।