
মাদক ব্যবসায়ীকে ধরতে বিশ্বকাপের মাসকট সেজেছিল পুলিশ
অপরাধীকে ধরতে কতই না ফন্দিফিকির করতে হয় পুলিশকে। তবে পেরুর রাজধানী লিমার পুলিশ যেন এক ধাপ এগিয়ে। ফুটবলপ্রেমী এক মাদক ব্যবসায়ীকে ধরতে রীতিমতো ফুটবল বিশ্বকাপের মাসকট সেজেছিল তারা।

অপরাধীকে ধরতে কতই না ফন্দিফিকির করতে হয় পুলিশকে। তবে পেরুর রাজধানী লিমার পুলিশ যেন এক ধাপ এগিয়ে। ফুটবলপ্রেমী এক মাদক ব্যবসায়ীকে ধরতে রীতিমতো ফুটবল বিশ্বকাপের মাসকট সেজেছিল তারা।

আগামীকাল ভোর চারটায় মরক্কো ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। তার আগে নেইমারের মাঠে ফেরা নিয়েই যত আলোচনা।

৬ জুন বিকেলে ঘোড়াশালে প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা জানাতে ১ হাজার ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্যের পতাকা নিয়ে হলুদ জার্সিতে ব্রাজিলের সমর্থকেরা শোভাযাত্রা বের করেন।

ছেলের সঙ্গে ঘোরাঘুরি, সময় কাটানো এবং নানা আনন্দঘন মুহূর্তের ছবি সামাজিকমাধ্যমে ভাগাভাগি করেন অপু। একটি জায়গায় মা-ছেলের অবস্থান পুরোপুরি দুই মেরুতে

খেলা শুরুর আগেই তাঁদের পোস্টে জমে উঠেছে ব্রাজিল-উন্মাদনা। দেখে নেওয়া যাক, প্রিয় দলকে নিয়ে কী বলছেন ব্রাজিল-সমর্থকেরা।

প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে গতকাল অভিষেক হয়েছে বালোগানের। প্রথম ম্যাচেই জোড়া গোল করে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রকে ৪-১ ব্যবধানের বড় জয় এনে দেন ২৪ বছর বয়সী স্ট্রাইকার, জিতে নেন ম্যাচসেরার পুরস্কারও।

ঐতিহাসিক জয়কে ছাপিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে একটি চুম্বন। সেই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে মুক্তি পায় তথ্যচিত্র ‘ইটস অল ওভার: দ্য কিস দ্যাট চেঞ্জড স্প্যানিশ ফুটবল’।

২০১০ বিশ্বকাপের সময় সংস্কারের কাজের জন্য আমাদের ফ্ল্যাট ছেড়ে দিতে হয়েছিল। তখন অংকুর বলেছিল, ‘বিশ্বকাপটা আমাদের বাসায় থেকে দেখো।’

তবে ব্রাজিলিয়ান মিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, অনুশীলনে নিজের সেরা ফর্ম দেখিয়ে প্রথম একাদশে জায়গা প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছেন লুকাস পাকেতা।

সঞ্জয় তাঁর জ্যাকেটের দিকে ইঙ্গিত করে বিশেষ নকশাগুলো তুলে ধরেন। যেন বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে বলছিলেন, ‘এটাই আমার বাংলাদেশ।’ কোটি বাংলাদেশির কাছে মুহূর্তটি ছিল আবেগের ও গর্বের।

প্রিয়জনের বড় ম্যাচের আগে কেউ প্রার্থনায় বসেন, কেউ চুপচাপ টিভির সামনে বসে থাকেন উদ্বেগে। কিন্তু ফুটবল যে দেশে জীবনযাপনের অংশ, সেই ব্রাজিলে বিষয়টা একটু ভিন্ন।

আশি ও নব্বইয়ের দশকে বলকান অঞ্চলের যুদ্ধ এবং আফ্রিকার রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে বাঁচতে হাজার হাজার মানুষ সুইজারল্যান্ডে আশ্রয় নেন। সেই অভিবাসীদের দ্বিতীয় প্রজন্মই আজকের সুইস ফুটবলের মেরুদণ্ড