
যে কারণে ইরানে যুদ্ধের বিরুদ্ধে বেশির ভাগ আমেরিকান
গত শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে চালানো হামলার বিরুদ্ধে অবস্থা নিয়েছেন বেশির ভাগ মার্কিন নাগরিক। এমনটাই উঠে এসেছে পত্রপত্রিকার জনমত জরিপগুলোয়।

গত শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে চালানো হামলার বিরুদ্ধে অবস্থা নিয়েছেন বেশির ভাগ মার্কিন নাগরিক। এমনটাই উঠে এসেছে পত্রপত্রিকার জনমত জরিপগুলোয়।

বর্তমানে যাঁরা কবি-সাহিত্যিক রয়েছেন, তাঁরা সবাই আধুনিক ঘরানার এবং ইউরোপের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করা।

আজ মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের (কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স) ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তাগিদ দেওয়া হয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় সপ্তাহের হামলায় বিপর্যস্ত হলেও ইরান দরকষাকষিতে শক্ত অবস্থান দাবি করছে। হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ তাদের বড় হাতিয়ার। যুদ্ধবিরতির পর নতুন কঠিন দাবি তুলেছে তেহরান।

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বারুদের গন্ধ। একদিকে ইসরায়েল আর যুক্তরাষ্ট্র, অন্যদিকে ইরান। শক্তিমত্তার দিক দিয়ে বিচার করলে এটি একটি অসম লড়াই। এটি কত দিন চলবে, কে জানে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল শুক্রবার বলেছেন, ইরান মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের মুখোমুখি না হয়ে বরং আলোচনার মাধ্যমে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চাইবে বলে তিনি আশা করছেন।

নেতানিয়াহু একাই এই যুদ্ধ শুরু করেছিলেন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এর মধ্যে টেনে এনেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ২০২৫ সালে পাঁচবার ওয়াশিংটন সফর করেছিলেন।

ইরানের পাল্টা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইসরায়েলে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কর্মকর্তারা।

লেবাননে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ায় নেতানিয়াহুর ওপর বিরক্ত ট্রাম্প।

যুদ্ধ অবসানে ট্রাম্পের নতুন চাল

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে পড়েছে। এ সংঘাত আর কেবল আঞ্চলিক সীমার ভেতর সীমাবদ্ধ নেই; এর অভিঘাত পৌঁছে গেছে বৈশ্বিক স্তরে।