
ইরান যুদ্ধের জেরে বিদেশি বিনিয়োগে কি দুবাইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারে ইস্তাম্বুল
সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) বিনিয়োগকারী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজ দেশে টানার পথ খুঁজছে তুরস্কের সরকার।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) বিনিয়োগকারী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজ দেশে টানার পথ খুঁজছে তুরস্কের সরকার।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টা আলোচনা সত্ত্বেও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে পৌঁছায়নি। ইরান সরকার সমর্থকদের সড়কে অবস্থান করে থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে আরও উদ্যোগী হতে বলেছে। আইনপ্রণেতারা যুদ্ধে ইরানের সুবিধাজনক অবস্থান নিয়ে খুশি।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী সোমবার থেকে ইরানের সব বন্দর অবরোধ করার হুমকি দিয়েছে। পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর এই ঘোষণা সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়েছে। তেলের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধে দুই সপ্তাহের কথিত যুদ্ধবিরতি চলছে।

যুদ্ধবিরতিতে ইরানের বাজারে কিছুটা স্বস্তি এলেও বিক্রি যুদ্ধপূর্বের তুলনায় অনেক কম। ইন্টারনেট শাটডাউন ও মূল্যস্ফীতিতে অর্থনীতি ধ্বংসপ্রাপ্ত। ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের জীবিকা বিপন্ন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ইরানের রাষ্ট্রদূতকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাংলাদেশমুখী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন। তারা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন। ইরান ইতিমধ্যে ছয়টি বাংলাদেশমুখী জাহাজের অনুমোদন দিয়েছে।

হরমুজ প্রণালীতে আটকা বাংলাদেশি জাহাজ দ্রুত ছাড়ার আশ্বাস দিয়েছেন ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহনাবাদি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইরানি শহীদ শিক্ষার্থীদের স্মরণে অনুষ্ঠিত শোক সমাবেশে তিনি বাংলাদেশ-ইরান সম্পর্কের প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে প্রতীকী কফিন ও প্রদর্শনী থাকে।

ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা ২১ ঘণ্টায় ব্যর্থ হয়েছে। এর পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীরবতা উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ এখনো ১০ দিন বাকি থাকলেও যুদ্ধের আশঙ্কা কমেনি।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের ২১ ঘণ্টার শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। ইরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের অযৌক্তিক দাবিই মূল কারণ। তেহরান কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে।

ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টা আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের কোনো সমঝোতা হয়নি। ভ্যান্স ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, চুক্তি না হলে তেহরানের জন্য আরও খারাপ পরিণতি অপেক্ষা করছে। আলোচনা চলাকালে মার্কিন প্রতিনিধিদল নিয়মিত প্রেসিডেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিল।

৪০ দিনের যুদ্ধের পর ইসলামাবাদে শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা ২১ ঘণ্টা পর ব্যর্থ হয়েছে। কোনো সমঝোতা না হওয়ায় দুই পক্ষ পরস্পরকে দোষারোপ করছে এবং যুদ্ধের সম্ভাবনা বেড়েছে। পাকিস্তান মধ্যস্থতায় ভবিষ্যতে আলোচনা চালিয়ে নেওয়ার আশা করছে।

ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায় ওয়াশিংটন পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে কোনো আপস করবে না—এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে। থায়ার মার্শাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডেভিড ডেস রোচেস বলেছেন, এটি ইরানের জন্য অপ্রত্যাশিত ছিল। ২১ ঘণ্টার আলোচনা সত্ত্বেও জেডি ভ্যান্সের অংশগ্রহণ প্রশাসনের আন্তরিকতা দেখায়।