
দীর্ঘ বিরতির পর ময়মনসিংহের ৮টি আসনে জয়ের দেখা পেল বিএনপি
এবার আওয়ামী লীগবিহীন ভোটে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসন পুনরুদ্ধার করেছেন ধানের শীষের প্রার্থীরা।

এবার আওয়ামী লীগবিহীন ভোটে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসন পুনরুদ্ধার করেছেন ধানের শীষের প্রার্থীরা।

এ নির্বাচনে দেশের প্রাচীনতম দল আওয়ামী লীগকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেওয়া হয়নি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুরের ৩টি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। এর আগে আটটি সংসদ নির্বাচনে সাতটিতেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা তিনটি করে আসনে জয়ী হন।

লক্ষ্মীপুর বিএনপি-প্রভাবিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। দলটি ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে জেলার চারটি আসনেই জিতেছিল। ২০১৪ সালে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো নির্বাচন বর্জন করে। একতরফা ওই নির্বাচনে সব আসন আওয়ামী লীগের দখলে চলে যায়। তবে আবারও জেলার সব কটি আসন জিতে ‘ঘাঁটি পুনরুদ্ধার’ করল বিএনপি।

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিকেনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মজিবুর মাদবরকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী।

গণ-অভ্যুত্থানের আগে দেশ এক দীর্ঘ স্বৈরশাসনের মধ্য দিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের দুর্নীতি ও দুঃশাসন সব মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

নির্বাচন কমিশনে মোট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আছে ৬০টি। এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত আছে।

আওয়ামী লীগের শাসনকালে ভোটাধিকারহীনতার কথা তুলে ধরে আসন্ন নির্বাচনে ভোট দেওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এই নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি সংঘাত-সহিংসতা এড়াতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ভোট টানতে প্রকাশ্যে ও গোপনে নানামুখী কৌশল নিয়েছেন প্রার্থীরা।

মুকসুদপুর ও কাশিয়ানীর একাংশ নিয়ে গোপালগঞ্জ-১ আসন গঠিত। এই আসনে বরাবরই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা প্রায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন।

এক বছর আগেও নায়িকা শিমলা আওয়ামী লীগের নৌকার মনোনয়ন নিতে সরাসরি দলীয় কার্যালয়ে গিয়েছিলেন, এবার তাঁকেই দেখা যাচ্ছে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণায়।

জনসভায় ডামুড্যা উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত হন। তাঁরা প্রত্যেকে নুরুদ্দিন আহাম্মেদকে সমর্থন জানিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চান।