
ধানমন্ডিতে ঝটিকা মিছিল থেকে মহিলা আওয়ামী লীগের সাত নেতা-কর্মী আটক: পুলিশ
মিছিলে অংশ নেওয়া মহিলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের আনার কাজে ‘ব্যবহৃত’ একটি মাইক্রোবাস ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

মিছিলে অংশ নেওয়া মহিলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের আনার কাজে ‘ব্যবহৃত’ একটি মাইক্রোবাস ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

আওয়ামী লীগের সময় নিয়ন্ত্রণ ছিল যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাদের হাতে। এখন বসাচ্ছেন বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতারা।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের নাটোর জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বাসিরুর রহমান খান চৌধুরীকে (এহিয়া) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাদের জামিন দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বরিশালে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের এজলাসে হট্টগোল হয়েছে।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর যেসব মামলা হয়েছে, সেগুলো পুনরায় যাচাই-বাছাই করতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

টাঙ্গাইলে ‘আওয়ামী লীগের ভোটারদের’ ভোট পাওয়া নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে। জেলার পাঁচটি আসনে দ্বিতীয় ও তিনটিতে তৃতীয় অবস্থানে জামায়াত।

রাজশাহী মহানগরে সদ্যঘোষিত যুবদলের ৪১টি সাংগঠনিক কমিটি ‘আওয়ামী লীগের লোকজন’ নিয়ে করা হয়েছে অভিযোগ তুলে সংগঠনের একটি অংশ মানববন্ধন করেছে।

শুধু আওয়ামী লীগ নয়, আমার পরিচিত অনেকেই, যাঁরা কোনো দলীয় রাজনীতির সমর্থক নন, তাঁরাও এবার ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন। কারণ একটাই, যারা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর দোসর হয়ে গণহত্যায় অংশ নিয়েছিল এবং আজও সেই দায় স্বীকার করার নৈতিক সাহস দেখাতে পারেনি, তাদের ওপর জনগণের আস্থা নেই।

আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনকালে দমন-পীড়নের মধ্যে যে কয়েকজন বিএনপির ঝান্ডা ধরে রেখেছিলেন, তাঁদেরই একজন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। হামলার মুখে পড়েছেন, জেলে গিয়েছেন, তার মধ্যেই দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পালনে অবিচল ছিলেন তিনি। খালেদা জিয়ার সরকারে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নিয়ে এবার পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন তিনি।

যশোর-৪ (অভয়নগর, বাঘারপাড়া ও সদর উপজেলার একাংশ) আসনটি বরাবরই আওয়ামী লীগের ‘ঘাঁটি’ হিসেবে পরিচিত। এই আসনে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হন।

বগুড়ায় আ.লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন, অতঃপর উধাও

এবার আওয়ামী লীগবিহীন ভোটে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসন পুনরুদ্ধার করেছেন ধানের শীষের প্রার্থীরা।