
ইরান যুদ্ধের জেরে বাড়তে পারে জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রীর দাম
ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থার কারণে বৈশ্বিক সরবরাহশৃঙ্খল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে কনডম তৈরিতে ব্যবহৃত কিছু কাঁচামালের সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।

ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থার কারণে বৈশ্বিক সরবরাহশৃঙ্খল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে কনডম তৈরিতে ব্যবহৃত কিছু কাঁচামালের সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তীব্র মতবিরোধে জড়িয়ে পড়েছেন সাংবাদিক টাকার কার্লসন।

এই যুদ্ধ তেহরানের হাতে নতুন একটি অস্ত্র তুলে দিয়েছে

ইরান যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি সরবরাহে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, তা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে ধারাবাহিকভাবে তেলবাহী জাহাজ আসছে দেশে। চলতি এপ্রিল মাসের ২০ দিনে এখন পর্যন্ত ডিজেল, অকটেন, জেট ফুয়েল ও ফার্নেস তেল নিয়ে ১২টি জাহাজ এসেছে। এতে মজুত কিছুটা বেড়েছে।

যদি যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হয় এবং আরও অনেক দেশ এতে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার আরও কমতে পারে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার জানান, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে আলোচনা আগামী দুই দিনের মধ্যে পুনরায় পাকিস্তানে শুরু হতে পারে।

ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টার আলোচনায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ থামানোর কোনো সমঝোতায় পৌঁছায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স তেহরানকে চূড়ান্ত প্রস্তাব দিয়ে আলোচনা ছেড়ে চলে গেছেন। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের অযৌক্তিক দাবিকে দোষারোপ করেছে।

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ বন্ধে আরও আলোচনার ভিত্তি হিসেবে ইরানের ১০ দফার প্রস্তাব ব্যবহারে সম্মতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের এই প্রস্তাবে অনাক্রমণের নিশ্চয়তা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ক্ষতিপূরণসহ বিভিন্ন দাবি রয়েছে।

ইরান যুদ্ধবিরতির পর হরমুজ প্রণালি পার হতে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা নোঙর তুলেছে। জাহাজটিতে ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক রয়েছেন। এটি পারস্য উপসাগরে আটকে ছিল যুদ্ধ শুরুর পর থেকে।

কুইন্সি ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞ ত্রিতা পার্সির মতে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ছাড়া ট্রাম্পের সামনে ভালো কোনো বিকল্প ছিল না। আল-জাজিরার সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পুরো যুদ্ধ হলে বিশ্ব জ্বালানি সংকটে পড়ত এবং ট্রাম্পের সরকার ধ্বংস হতো। চুক্তিটি ইরানের ১০ দফা পরিকল্পনার ভিত্তিতে হবে।

সিএনএন যাচাই করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনের বেশ কয়েকটি মিথ্যা দাবি। ওসামা বিন লাদেন, ইরান যুদ্ধের বিমানহানি, যুদ্ধ থামানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর বক্তব্যের সত্যতা প্রমাণিত হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে তথ্য অতিরঞ্জিত বা ভুল প্রমাণিত হয়েছে।

ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের নেতৃত্বে মার্কিন সিভিল-মিলিটারি ভারসাম্যহীনতা পরাশক্তির পতন ডেকে আনছে বলে মনে করছেন লেখক। ঐতিহাসিক উদাহরণ তুলে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান নেতৃত্বের ভুলগুলো তুলে ধরেছেন। যুদ্ধ এখন মাস পেরিয়ে গেছে, পরাজয় অনিবার্য।