
ময়মনসিংহে তিনটি আসনে বিএনপির পরাজয়ের কারণ কী
ময়মনসিংহে তিনটি আসনে বিএনপির পরাজয়ের কারণ কী

ময়মনসিংহে তিনটি আসনে বিএনপির পরাজয়ের কারণ কী

ময়মনসিংহের ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে বিএনপির ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহসহ তিনটি আসনে পরাজিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা।

বগুড়ার সাতটি সংসদীয় আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা। তাঁদের মধ্যে তিনজন একসময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবার তাঁরা সংসদে যাচ্ছেন।

খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৩৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে মাত্র ১১টি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী জিতেছে ২৫টি আসনে। খুলনা বিভাগে আগে কখনো এত বেশি আসনে জামায়াত জয় পায়নি।

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সব দলের নৈতিক ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী জাকির হোসেন সরকারকে মিষ্টিমুখ করিয়েছেন জামায়াতের জয়ী প্রার্থী মো. আমির হামজা।

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর সমর্থক জসিম উদ্দিন (৩০) হত্যার ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

শুক্রবার ইটনা উপজেলার বড়হাটি গ্রামের ঐতিহ্যবাহী শাহি মসজিদে জুমার নামাজ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে জয়ী বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান।

যে দুটি আসনে জামায়াত জিতেছে তাঁদের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থীর ব্যবধান ন্যূনতম। বিএনপির নেতা-কর্মীরাই এ ব্যবধানের কারণ ঠিকমতো ধরতে পারছেন না।

নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ে বিএনপি জোটকে অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

সিলেট বিভাগের চার জেলার ১৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে মনোনয়ন পেয়েছিলেন তিন প্রবাসী। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তাঁরা জয়ও পেয়েছেন।

বিএনপির ‘দুর্গ’খ্যাত ঝিনাইদহের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। শুধু ঝিনাইদহ–১ (শৈলকুপা) আসনে বিএনপি নেতা সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জয়ী হয়েছেন।