
আর হামলা করা হবে না—এই শর্তে আমিরাত থেকে হাজার কোটি ডলার পাচ্ছে ইরান
হামলা থামাতে ইরানকে বিশাল অঙ্কের তহবিল দিচ্ছে আরব আমিরাত।

হামলা থামাতে ইরানকে বিশাল অঙ্কের তহবিল দিচ্ছে আরব আমিরাত।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতায় ইউরেনিয়ামের মজুত ত্যাগের বিনিময়ে ইরান ২ হাজার কোটি ডলার ছাড় পেতে পারে। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ বন্ধের আশা জাগছে এই আলোচনায়। পাকিস্তান, মিসর ও তুরস্ক মধ্যস্থতা করছে।

দুই দেশের সম্পর্ক খারাপ হওয়ায় ইরানও বড় ধরনের সমস্যায় পড়েছে।

ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। ইরান জাহাজে হামলার হুমকি দিলে হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে পড়ে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রক্সি বাহিনীর ব্যবহার অস্থিরতা বাড়াচ্ছে।

ইরানের হামলায় সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে তেল রপ্তানির একমাত্র পথ। এতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট আরও গভীর হতে পারে। আইআরজিসি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বৈঠকের ভেন্যুর জন্য পাকিস্তান ইসলামাবাদের নাম প্রস্তাব করেছে বলে জানা গেছে।

কয়েক দশক ধরে আলী লারিজানি ছিলেন ইরানের ক্ষমতাকাঠামোর শান্ত ও বাস্তববাদী মুখ।

ইসরায়েলের বেইত শেমেশে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিশাল গর্ত তৈরি হয়েছে এবং জুদিয়ান হিলসে ১২ জন আহত। গত ২৪ ঘণ্টায় ইরান ও হিজবুল্লাহ হামলায় ১৪২ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। চলমান যুদ্ধে মোট আহতের সংখ্যা ৫ হাজার ৬৮৯।

ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু দুজনেই হয়তো ভাবছেন যে তাঁদের হিসাব–নিকাশে ভুলটা কোথায় হলো?

হরমুজ প্রণালি সচল করতে ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

সংঘাত বন্ধে বড় ধরনের ছাড় পেতে ইরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ানোর যে কৌশল ট্রাম্প নিয়েছেন, এ নিষেধাজ্ঞা তারই অংশ।