
ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন উগ্রমেজাজি ট্রাম্প
কূটনীতির ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশৃঙ্খল আচরণের বিপরীতে তেহরানকে শান্ত ও কৌশলগতভাবে এগোতে হবে, এটি তেহরান বিশ্বাস করে।

কূটনীতির ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশৃঙ্খল আচরণের বিপরীতে তেহরানকে শান্ত ও কৌশলগতভাবে এগোতে হবে, এটি তেহরান বিশ্বাস করে।

ইরানের কাছে ৯০০ পাউন্ডেরও বেশি এমন ইউরেনিয়াম রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঠুনকো যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ এখন আটকে আছে হরমুজ প্রণালিতে।

১০ এপ্রিল পাকিস্তানে যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুরুর আগেই ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, আলোচনায় বসার আগে ইরানের জব্দ সম্পদ মুক্ত করতে হবে।

পরবর্তী দফার আলোচনা ‘খুব সম্ভবত’ পাকিস্তানের রাজধানীতেই হবে।

তিন হাজার বছরের ধারাবাহিক সভ্যতার উত্তরাধিকারী পারস্য বা ইরানের ক্ষেত্রে নববর্ষ উদ্যাপন একইভাবে সর্বজনীন ও আনন্দমুখর।

ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ইরানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরও নতুন দর-কষাকষির সম্ভাবনা রয়েছে। লেখকের অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, ইরানিদের কাছে চুক্তি মানেই নতুন আলোচনার শুরু। ট্রাম্পের চরম অবস্থান এবং ইরানের কৌশল টেকসই শান্তি বাধা দিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানি বন্দরে নৌ-অবরোধ কার্যকর করেছে। ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের অর্থ সরবরাহকারী জাহাজ আটকানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইনজ্ঞরা এটিকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন বলছেন।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধে দুই সপ্তাহের কথিত যুদ্ধবিরতি চলছে।

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ বন্ধে আরও আলোচনার ভিত্তি হিসেবে ইরানের ১০ দফার প্রস্তাব ব্যবহারে সম্মতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের এই প্রস্তাবে অনাক্রমণের নিশ্চয়তা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ক্ষতিপূরণসহ বিভিন্ন দাবি রয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুদ্ধবিরতির পর সেনাদের গুলি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন, তবে শর্ত না মানলে লড়াই চলবে। ১০ এপ্রিল শুক্রবার ইসলামাবাদে ১০ দফা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালী খোলার উপর নির্ভর করছে যুদ্ধবিরতি।

ইরানি রেড ক্রিসেন্ট বলেছে, হুমকির মধ্যে ১৭টি বেসামরিক স্থাপনায় হামলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এটি যুদ্ধাপরাধ।