
ঈদ আনন্দ দেশে দেশে: মালয়েশিয়ার ‘মালাম রায়া’–র উৎসবমুখর রাত
মালয়েশিয়ার সংস্কৃতি, মানুষের আন্তরিকতা ও খাবারের বৈচিত্র্য ভ্রমণকারীদের মুগ্ধ করে। বিশেষ করে নাসি গোরেং, নাসি প্রেন্ডাংসহ নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ মন ভরিয়ে দেয়।

মালয়েশিয়ার সংস্কৃতি, মানুষের আন্তরিকতা ও খাবারের বৈচিত্র্য ভ্রমণকারীদের মুগ্ধ করে। বিশেষ করে নাসি গোরেং, নাসি প্রেন্ডাংসহ নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ মন ভরিয়ে দেয়।

ইসলামি বিধানের উদ্দেশ্য হলো দুনিয়ায় শান্তি ও পরকালে মুক্তি। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘জীবমাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে।

ঈদের দিন দুপুরে বা রাতের দাওয়াতে ভিন্ন স্বাদ পেতে চাইলে বানাতে পারেন চিংড়ি মালাই বিরিয়ানি। রেসিপি দিয়েছেন জেবুন্নেসা বেগম।

ইফতারি হিসেবে বেগুনি খেতে ভালোবাসেন? এবার স্বাদ বদলাতে বানাতে পারেন কিমা বেগুনি।

কুমিল্লার মানুষের ইফতারির টেবিলে বদলে গেছে স্বাদ ও আয়োজনের ধরন। সেই পরিবর্তনের ছাপ দেখা যাচ্ছে এবারের রমজানের ইফতারির বাজারে।

নবীজি (সা.) প্রায়ই প্রাণ ও প্রকৃতির পরিচিত ছবি টেনে আনতেন। কখনো প্রাণীর আচরণ, কখনো ফলের স্বাদ, আবার কখনো নদী ও সমুদ্রকে উপমা বানাতেন।

পাতায় মোড়া মাছের স্বাদ যেন পুরোই আলাদা। কলাপাতায় রাঁধতে পারেন পাবদা মাছ। রেসিপি দিয়েছেন সিতারা ফিরদৌস।

শবে বরাতের দিন বাড়িতে বাড়িতে বানানো হবে নানা স্বাদের হালুয়া। গাজরের হালুয়াতে আনতে পারেন ভিন্ন স্বাদ। রেসিপি দিয়েছেন শাহনাজ বেগম।

ক্যারিয়ারের তৃতীয় ওয়ানডেতেই জন্মভূমিতে ফিরে জন্মভূমির বিপক্ষে খেলার অদ্ভুত এক অনুভূতির স্বাদ পাচ্ছেন তরুণ লেগ স্পিনার আদিত্য অশোক।

সস, মেয়নেজ বা চিজ দিয়ে তৈরি করা সুস্বাদু খাবারের কিছু অংশ রয়ে গেলে ফ্রিজে রেখে দেন অনেকে। পরদিন গরম করে খেয়ে নেন সে খাবার। এটা কি স্বাস্থ্যকর?

সে একদিন গেছে বটে। বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা। টক-ঝাল-মিষ্টি। আরও কত স্বাদের! আমি আর মসিহউদ্দিন শাকের মিলে সূর্য দীঘল বাড়ীর স্ক্রিপ্ট জমা দিলাম ১৯৭৬ সালে। সরকারি অনুদান পেলাম ১৯৭৭ সালে মাত্র আড়াই লাখ টাকা। নগদ তুললাম ৫০ হাজার। শাকের ইঞ্জিনিয়ারগিরি ছেড়ে দিয়ে তার শ্বশুরের প্রভিডেন্ট ফান্ডের ৪০ হাজার টাকা আনল। আমি মোল্লা মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে অ্যাকাউন্ট্যান্টের ফুলটাইম চাকরি ছেড়ে পার্টটাইম হলাম; উপরন্তু অফিস থেকে ১৮ হাজার টাকা অগ্রিম তুলে এনে দুজন মিলে আদাজল খেয়ে লেগে পড়লাম।

বিশ্বকাপ চলাকালে কোচের পদ থেকে ছাঁটাই হওয়ার ঘটনা বেশ বিরল। সেই বিরল অভিজ্ঞতার স্বাদই এবার পেলেন তিউনিসিয়ার কোচ সাব্রি লামুশি।