
বদর যুদ্ধে নবীজির ছায়াসঙ্গী আবু বকর সিদ্দিক (রা.)
রণক্ষেত্রের উঁচু টিলার ওপর নবীজির জন্য একটি শামিয়ানা স্থাপন করা হয়েছিল, যেখান থেকে পুরো মাঠ দেখা যেত। এর ভেতরে আবু বকর (রা.) রাসুলের সঙ্গে ছিলেন।

রণক্ষেত্রের উঁচু টিলার ওপর নবীজির জন্য একটি শামিয়ানা স্থাপন করা হয়েছিল, যেখান থেকে পুরো মাঠ দেখা যেত। এর ভেতরে আবু বকর (রা.) রাসুলের সঙ্গে ছিলেন।

মাত্র ৩৬ বছরের সংক্ষিপ্ত জীবন, যার মধ্যে ইসলামের ছায়াতলে ছিলেন মাত্র ছয়টি বছর। যার বিদায়বেলায় মহান আল্লাহর আরশ পর্যন্ত কেঁপে উঠেছিল।

উম্মে সালামা বেশ ভালোভাবেই জানতেন, মা যদি ধার্মিক হয়, যদি হয় খোদাভীরু—তাহলে সমাজের চিত্রই পালটে যাবে। সমস্ত সমাজই ইসলামের আলোয় হয়ে উঠবে আলোকিত।

খাদিজার চেয়ে উত্তম কাউকে আল্লাহ দান করেননি। মানুষ যখন আমাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল, তখন খাদিজা সত্য বলে গ্রহণ করেছিলেন, সবাই যখন শত্রু ছিল, তিনিই ছিলেন আশ্রয়।

তাঁর মৃত্যুকে সাহাবিগণ বড় বিপর্যয় হিসেবে দেখেছেন। ইবনে আব্বাস (রা.) তাঁর মৃত্যুর সংবাদ শুনে সিজদা করেন—কারণ, নবীজির স্ত্রীদের মৃত্যু উম্মতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

আল্লাহর রাসুল (সা.)–এর পুত্রসন্তানদের মৃত্যুর পর মক্কার কাফেররা তাঁকে ‘আবতার’ বা নির্বংশ বলে উপহাস করত। আস ইবনে ওয়াইল ছিলেন মক্কার অন্যতম প্রভাবশালী নেতা।

কখনো এমন পরিস্থিতি আসে যখন মানুষের সাধ্যে কিছুই থাকে না—তখন দোয়া-ই হয় আমাদের বড় আশ্রয়। আল্লাহর কাছে কাকুতি-মিনতি করা ছাড়া উপায় থাকে না।

নিজের চেয়ে কম যাদের আছে, তাদের দিকে তাকিয়ে শুকরিয়া আদায় করা, যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকা, আর তুলনার অভ্যাস থেকে নিজেকে সচেতনভাবে দূরে রাখা।

বদর যুদ্ধের অন্যতম একটি বিস্ময়কর ও অলৌকিক দিক ছিল স্বপ্ন। যুদ্ধ শুরুর পূর্বমুহূর্তে এবং যুদ্ধ চলাকালীন মুসলিম ও মুশরিক উভয় শিবিরে বেশ কিছু তাৎপর্যপূর্ণ স্বপ্ন দেখা গিয়েছিল।

মুসলমানদের সামনে একটাই পথ খোলা ছিল—নিজেদের আত্মরক্ষা এবং ধর্ম ইসলামের পবিত্রতা বজায় রাখার খাতিরে ধনসম্পদ ও আত্মীয়স্বজন ত্যাগ করে অন্য কোথাও চলে যাওয়া।

হজের সফরের প্রতিটি মোড়ে, ইহরাম থেকে শুরু করে আরাফাতের ময়দান পর্যন্ত, রাসুল (সা.) আমাদের নির্দিষ্ট কিছু দোয়া ও জিকির শিখিয়েছেন। হাদিসসমর্থিত দোয়াগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম।

ইসলামে অবৈধ সম্পদ থেকে দায়মুক্তির উপায় কী যদি মালিক খুঁজে না পাওয়া যায়? ফকিহদের তিন মতামত এবং সাহাবির উদাহরণসহ ব্যাখ্যা। আলেমদের পরামর্শ অনুসরণ করে তওবা সম্পূর্ণ করা যায়।