
আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস আজ, নানা আয়োজন
দিবসটি উপলক্ষে হেরিটেজ ফাউন্ডেশন গত শনিবার অনলাইনে সেমিনার আয়োজন করে।

দিবসটি উপলক্ষে হেরিটেজ ফাউন্ডেশন গত শনিবার অনলাইনে সেমিনার আয়োজন করে।

অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপিত হলো বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩।

ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মিশিগানের বিভিন্ন স্থানে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপিত হয়েছে।

কলকাতাসহ ভারতের বাংলাভাষী বিভিন্ন অঞ্চলে ১৫ এপ্রিল বুধবার বাংলা নববর্ষ উদ্যাপিত হয়েছে।

উঠেছে নতুন সূর্য নতুন আশার আলো জ্বেলে, এসেছে আবার বৈশাখ আজ জরাজীর্ণ দূরে ঠেলে।

কোথাও চলছে বলীখেলা, কোথাও বউছি। আবার কোথাও আয়োজন করা হয়েছে পুতুলনাচ। নাচ-গান-আবৃত্তি নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান তো রয়েছেই। দিনভর এমন সব আয়োজনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্যাপিত হয়েছে পয়লা বৈশাখ।

পয়লা বৈশাখ বাঙালি পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে কৃষিভিত্তিক ঐতিহ্য থেকে সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের হাতিয়ারে রূপান্তরিত হয়েছে। মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে ইউনেসকো স্বীকৃতির প্রসঙ্গে। অসাম্প্রদায়িকতা ও সামাজিক ঐক্য রক্ষায় এর তাৎপর্য অপরিসীম।

জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান বলেছেন, পয়লা বৈশাখসহ ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয় এমন সব সংস্কৃতি তারা ধারণ করবে। রাজধানীতে বৈশাখী শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। শোভাযাত্রার পর রমনা পার্কে উৎসব চলছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদে বৈশাখী শোভাযাত্রার রঙিন প্রস্তুতি চলছে। লোকজ মোটিফ, পটচিত্র ও ঐতিহ্যবাহী কাঠামো তৈরিতে শিক্ষার্থী-শিল্পীরা ব্যস্ত। শোভাযাত্রায় বাংলার ইতিহাস-সংস্কৃতি ফুটে উঠবে রংতুলিতে।

পয়লা বৈশাখ ১৪৩৩-এর শোভাযাত্রায় মোরগ, পায়রা, দোতারা প্রধান প্রতীক হিসেবে থাকবে। ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্য নিয়ে উৎসব, নাম চূড়ান্ত হবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় সভায়। চারুকলা শিক্ষার্থীরা প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে পয়লা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ বরণের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা উদ্বোধন করেন। মঙ্গল শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন কাজ শুরু হয়েছে।

সৌন্দর্যের আড়ালেই লুকিয়ে আছে ইউরোপীয় ইতিহাসের এক গভীর ও রক্তাক্ত অধ্যায়—যে ইতিহাস আজও পাহাড়ের নীরবতায় কথা বলে। আজ যে পাহাড়ে শিশুরা স্লেজ চালায়, যে উপত্যকায় পর্যটকেরা ছবি তোলেন—ঠিক সেই জায়গাগুলোই এক শতাব্দী আগে ছিল মৃত্যুভয় আর গোলার শব্দে কাঁপতে থাকা ভয়াবহ যুদ্ধক্ষেত্র।