
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত লেবানন–ইসরায়েল চুক্তি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর
‘এমন পদক্ষেপ লেবাননকে শত্রু ইসরায়েলের হাতের পুতুলে পরিণত করবে।’

‘এমন পদক্ষেপ লেবাননকে শত্রু ইসরায়েলের হাতের পুতুলে পরিণত করবে।’

ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটি রূপরেখা চুক্তি ঘোষণা করা হয়েছে।

যুদ্ধবিরতি নিয়ে এ সমঝোতার দিনও সীমান্তে দুই পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত ছিল।

সাতক্ষীরার শফিকুল ইসলাম (৪৫) সংসার চালাতে ঋণ করে লেবাননে যান এবং ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত হন। একই হামলায় আরেক প্রবাসী নাহিদুল ইসলাম (৪০)ও প্রাণ হারান। পরিবারের অসহায়ত্বের মধ্যে সরকারি সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে স্বজনরা।

ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ হয়তো ইরান–সংক্রান্ত তাঁর কূটনৈতিক উদ্যোগকে টিকিয়ে রেখেছে, তবে ইসরায়েল হিজবুল্লাহর শক্তি দমনে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখলে লেবানন সংকট সব সময়ই উত্তপ্ত হয়ে ওঠার এবং তেহরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনাকে ব্যাহত করার ঝুঁকি তৈরি করবে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়। এতে ইসরায়েল লেবাননে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে পারবে। দক্ষিণ লেবাননে তারা অভিযান ত্বরান্বিত করেছে।

দক্ষিণ লেবাননের জেজ্জিন সড়কে ইসরায়েলি হামলায় আল-মানার ও আল-মায়াদিন টিভির দুই সাংবাদিকসহ চারজন নিহত। একই দিনে পাঁচ প্যারামেডিকও প্রাণ হারান। লেবানন ও ইরানে ইসরায়েলি হামলায় এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

হিজবুল্লাহর দাবি, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল থেকে ইসরায়েলকে সম্পূর্ণভাবে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।

আগামী দিনগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

শনিবার প্রণালিতে প্রবেশ করা আটটি জাহাজের মধ্যে পাঁচটিই তাদের এআইএস বন্ধ রেখেছিল

এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো প্রকাশ করেছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ

যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারকে সই হওয়ার পরও লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখে ইসরায়েল।