
হেলিকপ্টার ভূপাতিত করেছে ইরান, জবাব দেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

সৌদি আরব ও কুয়েত মার্কিন সামরিক অভিযান ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ পুনরায় শুরু করতে আকাশসীমা ও ঘাঁটি ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই অনুমতি ট্রাম্প প্রশাসনের একটি বড় বাধা দূর করেছে। ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ স্বীকার করেন, ঘটনাটি তদন্ত করছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

এক দশক পর সেই ডোনাল্ড ট্রাম্পই এখন বিদেশে মার্কিন সামরিক শক্তি প্রয়োগে আগের চেয়ে অনেক বেশি আগ্রহী।

যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলার ঘোষণা দিয়েছে ইরান।

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে হামাসকে অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান জানিয়ে কঠোর সতর্কবাণী দিয়েছেন তিনি। গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে যাওয়ার আগ্রহও প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প।

সেন্টকমের দাবি, মার্কিন বাহিনী ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, একটি স্থলভিত্তিক নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র ও একমুখী হামলার জন্য ব্যবহৃত দুটি ড্রোন ধ্বংস করেছে।

ইরান দাবি করেছে, এক দিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান—এফ-১৫ই এবং এ-১০ ওয়ারথগ—ভূপাতিত করেছে তার নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায়। এতে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ধ্বংস মার্কিন উড়োজাহাজের সংখ্যা সাতে পৌঁছেছে। যৌথ সামরিক কমান্ড এটিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য ‘লজ্জাজনক পরাজয়’ বলে অভিহিত করেছে।

ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ নিষিদ্ধ করতে গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন সিনেটে একটি প্রস্তাব পাস করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে চালানো সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নিয়ে বিতর্ক যেন থামছেই না।

এই যুদ্ধের খরচ শুধু অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জামে সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রভাব ইতিমধ্যেই সাধারণ মার্কিন নাগরিকের জীবনে পড়তে শুরু করেছে।